অর্পিতা মুখার্জী: রামলীলা ময়দানের পথে ইন্ডি জোটের হুডখোলা গাড়ি আর সেখানেই আসন নিয়ে জোর চর্চা। চালকের পাশে রাহুল গান্ধী, দ্বিতীয় সারিতে ওমর আবদুল্লা, ডি রাজা, তৃতীয় সারিতে অখিলেশ যাদবের পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, বাংলার ভোটের ফলের পর জোটে অনেকটাই পিছনের সারিতে মমতা, প্রাসঙ্গিক থাকতে কংগ্রেসই এখন বড় ভরসা।
ছাত্র আন্দোলন থেকে রাস্তায় নেমে লড়াই করাই মমতার রাজনীতি, বরাবর প্রথম সারিতে থাকাই তাঁর অভ্যাস। একসময় ইন্ডি জোট চলত তাঁর অঙ্গুলিহেলনে বলেই চর্চা ছিল। কিন্তু ছাব্বিশের বিধানসভায় তৃণমূলের বড় ধাক্কার পর ছবিটা বদলেছে। দলের ভিতরেও ভাঙন। তার প্রভাবই যেন দেখা গেল রামলীলার পথে যাওয়া গাড়ির সিট প্ল্যানে। মধ্যমণি রাহুল, আর তাঁকে সঙ্গত দিতে পিছনের সারিতে দিদি।
এদিন গাড়িতে ছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সুপ্রিয়া সুলে, তেজস্বী যাদবরাও। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন একেবারে শেষ সারিতে।
ভোটের ফলের পর বাম-কংগ্রেসের হাত ধরার ইচ্ছার কথা বলেছিলেন মমতা, যদিও বাংলায় তাতে সাড়া মেলেনি। তবে গত কয়েক মাসে বারবার দিল্লিতে গিয়ে রাহুল-সোনিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। এদিনের ছবি যেন বুঝিয়ে দিল, হারানো গুরুত্ব ফিরে পেতে কংগ্রেসের হাত ধরাই এখন একমাত্র রাস্তা মমতার কাছে।
উল্লেখ্য, ভোটচুরির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে রবিবার রামলীলা ময়দানে ইন্ডি জোটের মেগা সমাবেশ। তার আগে নিরাপত্তায় দুর্গে পরিণত রাজধানী। শুধু রামলীলা চত্বরেই মোতায়েন ১০ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা, নজরদারিতে ২০০টি এআই ক্যামেরা।