নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজন্যা হালদারের বিজেপিতে যোগ নিয়ে এবার বড় কথা বললেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ। তৃণমূলের সাসপেন্ডেড যুবা নেত্রী রাজন্যা হালদার ও তার স্বামী প্রান্তিক চক্রবর্তী যোগ দেবেন বিজেপিতে। চলতি সপ্তাহে এই খবরে কার্যত মম করে উঠেছিল বঙ্গ রাজনীতি। যদিও শেষমেষ রাজন্যা হালদার ও স্বামী প্রান্তিক চক্রবর্তীর হাতে পদ্ম পতাকা ওঠেনি।
কী কারণে এই যোগদান বাতিল হয়েছিল তা নিয়ে নানান কথা উঠলেও রহস্য থেকে গেছে রহস্যতেই। বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, তৃণমূল ভাঙিয়ে কাউকে বিজেপিতে নেওয়া হবে না। তাতে মানুষের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে। যে তৃণমূলের উৎখাত করার জন্য বিজেপি নেতারা গলা ফাঁটাচ্ছেন অথচ দলে তৃণমূলের নেতাদের দলে নেওয়া হচ্ছে। যদিও বিজেপির একটি সূত্র বলছে, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের আপত্তিতে রাজন্যা হালদার ও প্রান্তিক চক্রবর্তীকে বিজেপিতে যোগদান করা গেল না।
প্রসঙ্গত, সংসদে শীতকালীন অধিবেশনে যোগ দিতে দিল্লীতে রয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। শমীক ভট্টাচার্য কলকাতায় ফিরে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। অতএব রাজন্যার বিজেপিতে যোগদান রয়ে গেল দোলাচলে ! এই পেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ। তিনি বলেন, রাজ্য বিজেপির শক্তি বাড়াতে হলে অন্য দলের থেকে লোক নিতে হবে। পাশাপাশি তিনি বলেন, রাজন্যা হালদারের বিজেপি যোগদানের বিষয়ে তিনি দলের অন্তরে কথা বলবেন।
উল্লেখ্য, প্রান্তিক-রাজন্যার বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা চাউর হয়েছিল চলতি বছর পুজোয়। যখন রাজন্যা এবং প্রান্তিককে দেখা যায় সজল ঘোষের পুজোয় হাজির থাকতে। সজলের পাশে দাঁড়িয়ে খোশ মেজাজে ছবি তোলা। এখানেই শেষ নয়, এরপর দেখা যায় মহাষ্টমীর সন্ধ্যায় বিজেপির পুজো বলে পরিচিত সল্টলেকে হাজির হয়েছিলেন তারা।
কে এই রাজন্যা হালদার ? যাকে নিয়ে এত টানা পড়েন ? তৃণমূলের একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে রাজন্যা হালদারের বক্তৃতা নজর কেড়েছিল রাজনৈতিক মহলের। পরে আরজিকর কান্ডে দলের বিরুদ্ধে সরব হয়ে বহিষ্কার হয়েছিলেন রাজন্যা ও প্রান্তিক।
