ওঙ্কার ডেস্কঃ ফের বড় ধাক্কা খেল তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। স্পিকার রথীন্দ্র বোসের সিদ্ধান্তে কোনও রকম হস্তক্ষেপ করল না রাজ্যের উচ্চ আদালত।
তৃণমূল ভেঙে খান খান। এর শুরুটা হয়েছিল, যখন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহার নেতৃত্বে আলাদা একটি ব্লক তৈরি হয়। ইতিমধ্যে তাঁরা দাবি করেছেন যে, তাঁদের সঙ্গে ৬৫ জন বিধায়ক রয়েছেন। অর্থাৎ, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্বীকৃতি না দেওয়ার কোনও কারণ নেই। স্পিকার রথীন্দ্র বোসও এই ব্লকের চিঠিতে অনুমোদন দিয়ে ঋতব্রতকেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। এরপরই মূলত জল গড়ায় আদালত পর্যন্ত।
বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানিতে একাধিক প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতি জানতে চান, তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রথম চিঠি পাওয়ার পর অধ্যক্ষ কেন সঙ্গে সঙ্গে কোনও সিদ্ধান্ত নেননি, অথচ দ্বিতীয় চিঠি আসার পর দ্রুত পদক্ষেপ করা হয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, শুধুমাত্র অভিযোগ দায়ের হলেই জালিয়াতি প্রমাণিত হয় না। তবে এই বিষয়ে বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল আদালত।
এদিকে ইতিমধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীদের খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, তাঁরাই আসলে প্রকৃত ‘তৃণমূল কংগ্রেস পরিষদীয় দল’ এবং প্রায় ৯৮ শতাংশ বিধায়ক এই মুহূর্তে তাঁদের পক্ষেই রয়েছেন।