বাবলু প্রামানিক, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভাঙ্গড়ের হাতিশালা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একুশে জুলাই এর প্রস্তুতি সভা করা হয়। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক সওকত মোল্লা সহ ভাঙ্গড়ের একাধিক তৃণমূল নেতৃত্বরা। আর সেই সভাতে বিস্ফোরক মন্তব্য রাখেন সাওকত মোল্লা। তিনি সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রাক্তন বিধায়ক বলেন, দুই একজন বেইমান বিশ্বাসঘাতক আছে দল থেকে যাদেরকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা পিছন থেকে ছুরি মারার চেষ্টা করছে।
এদিন সভায় তিনি বলেন পোলেরহাটে পেট্রোল পাম্পের পিছনে সমাজ বিরোধীদের নিয়ে ছুরি মারার চেষ্টা করছে এবং তৃণমূল নেতা খয়রুল ইসলাম ও মমিনুল ইসলাম সহ প্রথম সারিতে থাকা নেতাবৃন্দদের খুন করার চেষ্টা করছে। এই সমাজ বিরোধীদের নেতার ঘনিষ্টের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র আছে বলে দাবি করেন সাওকাত। তিনি প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “তাই প্রশাসনকে বলবো ব্যবস্থা নিতে, না হলে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা ব্যবস্থা নেবে”। নাম না নিয়ে সাওকত আরাবুল ইসলামকে নিশানা করে করা হুঁশিয়ারি দিইয়েছেন এদিনের বক্তৃতায়।
পাশাপাশি ঐদিন সভা থেকে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী ও তার ভাই আব্বাস সিদ্দিকীকে করা হুঁশিয়ারি দিয়ে বিধায়ক শওকত মোল্লা বলেন, “নওশাদ সিদ্দিকী চার পয়সার নেতা, আব্বাস সিদ্দিকী ও নওশাদ সিদ্দিকীর যদি বুকের পাটা থাকে তাহলে ক্যানিং ও ভাঙ্গড়ে দাঁড়াক দুই ভাইকে লেজে গোবরে করে হুগলিতে পাঠাবো”। তিনি আরও বলেন, “যদি পাঠাতে না পারি, আমার নাম শওকত মোল্লা না”।
অন্যদিকে পাল্টা জবাব দিলেন, আরাবুল ইসলামের ছেলে হাকিমুল ইসলাম। তিনিও কোনো নাম না নিয়ে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া তে পোষ্ট করে লিখেছেন, “পাম্পে যারা যায় তারা ক্রিমিনাল, উনার কাছে গেলে তারাই আবার সাধু, এমন দ্বিধা চরিতা আর কতদিন চলবে”।
