ওঙ্কার ডেস্কঃ মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথি। বিদ্যার দেবীর আরাধনায় মাতে বাংলা। শ্বেত পদ্মে বিরাজমান, হংস বাহন দেবী সরস্বতী। পুজোর মরশুম শেষে, ভরা শীতে, বাঙালি সরস্বতী পুজোর অপেক্ষায় থাকে। বাঙালির কাছে সরস্বতী পুজোর আমেজ আলাদা। বিশেষত, স্কুল কলেজে পুজোর আগে থাকে সাজো সাজো রব।
বাগদেবীর আরাধনা মানেই বিদ্যা, বুদ্ধি আর সৃজনশীলতার আহ্বান। পলাশপ্রিয়া আরাধনা বাঙালি গৃহস্থের ঘরে শুধু একটি ধর্মীয় আচার নয়, বরং তা প্রজন্মের ভবিষ্যৎ গড়ার এক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষও। বিদ্যার অধিষ্ঠাত্রী দেবীর পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বই-খাতা, কলম থেকে শুরু করে বাদ্যযন্ত্র। ‘সরস্বতী’ শব্দের অর্থ জলপূর্ণ অথবা নদী। অনেকের মতে, প্রথমে দেবী সরস্বতী নদীর রূপেই পূজিত হতেন। তারপরে তিনি জ্ঞান এবং শিক্ষার দেবী হিসেবে পরিচিত হন।
দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো, কালীপুজোর শেষে বাঙালিরা অপেক্ষা করে থাকে সরস্বতী পুজোর জন্য। বিশেষ করে স্কুল কলেজে সরস্বতী পুজো হয় মহা ধুমধামে। মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী পুজো হয়। এই দিনটিই বসন্ত পঞ্চমী নামেও পরিচিত। শুধু বাংলাই নয়, ওড়িশা, উত্তর ভারত, নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশেও ধুমধাম করে পালিত হয়।
পুজোর আগে বাজারে ঠাকুর কেনার ধুম। পুজএ জোগাড়ে ব্যস্ত মানুষজন। চলতি বছর পঞ্চমী তিথি শুরু হবে, ২২ জানুয়ারি রাত ১টা ৩৯ মিনিটে। এবং শেষ হবে ২৩ জানুয়ারি রাত ১২টা ২৯ মিনিটে। বাংলা জুড়ে ঘরে ঘরে পূজিত হন দেবী সরস্বতী। আগামীকাল জ্ঞান ও বিদ্যাবুদ্ধির দেবীর আরাধনায় মাতবে বাংলা।
