ওঙ্কার ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হতে কাজের চাপে একাধিক বিএলও আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ। যে তালিকায় নবতম সংযোজন নদিয়ার কৃষ্ণনগরের রিঙ্কু তরফদার। পেশায় শিক্ষিকা রিঙ্কু বিএলও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, কমিশনের কাজের চাপ তিনি সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হয়েছেন। আর এই গোটা বিষয়টি নিয়ে ফের একবার নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ শানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শনিবার নিজের ফেসবুক পেজে মৃত রিঙ্কু তরফদারের ছবি এবং তাঁর লেখা সুইসাইড নোট শেয়ার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই পোস্টে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান প্রশ্ন তুলেছেন, এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য আর কত জনকে মরতে হবে? মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘আজ কৃষ্ণনগরে আরও একজন বিএলও, একজন মহিলা পার্শ্বশিক্ষিকা আত্মহত্যা করেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবরে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। ৮২ নম্বর চাপড়া বিধানসভার ২০১ নম্বর পার্টের বিএলও, শ্রীমতি রিঙ্কু তরফদার, তাঁর বাড়িতে আত্মহত্যা করার আগে লেখা সুইসাইড নোটে নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন।’ মমতা এর পরে লেখেন, ‘আর কত প্রাণ যাবে? এই এসআইআর এর জন্য আরও কত জনকে মরতে হবে? এই প্রক্রিয়ার জন্য আমরা আর কত মৃতদেহ দেখব? এটি সত্যিই উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে !’

উল্লেখ্য, শুক্রবার রিঙ্কুর দেহ উদ্ধার হয় তাঁর বাড়ি থেকে। পরিবার সূত্রে খবর, গত কয়েক দিন ধরে বিএলও–এর কাজ নিয়ে নিয়ে মানসিক চাপে ছিলেন রিঙ্কু। সুইসাইড নোটে তিনি লিখেছেন, ‘আমার এই পরিণতির জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী। আমি কোনও রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করি না। খুবই সাধারণ মানুষ। কিন্তু এই অমানুষিক কাজের চাপ আমি নিতে পারছি না।’
