ওঙ্কার ডেস্কঃ এক দশক আগে জগমোহন ডালমিয়ার মৃত্যুর পর নবান্ন থেকে সিএবি-র সভাপতি আর সচিব ঠিক করে দিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে তর্ক বিতর্ক কম হয়নি। সূত্রের খবর, এবার একদম আড়াআড়ি ভাগ হয়ে গেল দুই শিবির। প্রকাশ্যে এল দ্বন্দ্ব। বুধবার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সিএবি-র চিঠিতে তেমনই আভাস মিলেছে।
সূত্রের খবর, ময়দানে বিগত কয়েক বছরে ঘটে চলা দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যের নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ-কে একটি চিঠি দেন সিএবির প্রাক্তন সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া। এমনকী খেলোয়াড়, খেলোয়াড়দের অভিভাবক, কোচ, সাপোর্ট স্টাফদের জন্য একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করার আবেদন জানান অভিষেক। ময়দানে দুর্নীতি রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়ার কথাও আবেদন করেন।
এই বিষয়ে মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যের নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ বলেন, তিনি অভিষেক ডালমিয়ার চিঠি পড়েছেন। কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁর সঙ্গে সামনাসামনি আলোচনায় বসবেন। এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মহাকরণে গেলেন সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সিএবির কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাস।
এই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফেসবুকে অভিষেক ডালমিয়ার পোস্টের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি তাঁরা জানতে পারেন। সিএবিতে ইতিমধ্যেই একজন এথিক্স অফিসার নিযুক্ত আছেন। তিনি কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য। যে কোনও ধরনের আপত্তিকর বিষয়ের প্রশ্ন উঠলেই সিএবি সর্বদা সজাগ থাকে। অর্থাৎ আগেভাগেই সিএবি-র ভাবমূর্তিতে স্বচ্ছতা বজায় রেখে চলার বার্তা সেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। সূত্রের খবর, প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সহ বাকি চার শীর্ষ পদাধিকারী কর্তাদেরও সই রয়েছে ওই চিঠিতে।
পাশাপাশি রবিবার সন্ধ্যায় বেঙ্গল টি-২০ লিগের ফাইনালে ক্রীড়ামন্ত্রীকে ইডেনে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানান সৌরভ এমনটাই সূত্রের খবর। এবার দেখার এই চিঠি যুদ্ধের শেষ কোথায় হয়।