গোপাল শীল, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা : প্রায় ৯০ দিন বন্ধ থাকার পর মৎস্যজীবীর ট্রলার চালু হলেও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য মৎস্যজীবীদের পেটের ভাত জোগাড় হচ্ছেন । যার ফলে পেটের টানে সুন্দরবনের মৎস্যজীবীরা ভিন রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করার জন্য পাড়ি দিয়েছে বলে জানা গেছে। মৎস্যজীবী পরিবারের একটাই দাবি সরকার যেন তাদের জন্য কিছু করে।
উল্লেখ্য মরশুমের শুরুতেই ভালো ইলিশের দেখা মিললেও, আবহাওয়ার জন্য বড়সড়ো ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে সুন্দরবনের কয়েক হাজার মৎস্যজীবী। গত জুন মাসের ১৪ তারিখ থেকে সমুদ্রে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল। তখন মৎস্যজীবীদের ট্রলার পাড়ি দিয়েছিল গভীর সমুদ্রে। প্রথম দিকে মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়েছিল কয়েকশো টন ইলিশ। কিন্তু তারপর থেকে আবহাওয়া খারাপের জন্য উতাল হয়ে উঠেছিল বঙ্গোপসাগর। সেই পরিস্থিতিতে সমস্ত মৎস্যজীবীদের কে চলার নিয়ে সমুদ্র থেকে উপকূলে ফিরে আসতে হয়েছিল। এভাবে মরসুমের শুরুতেই বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়তে হয় মৎস্যজীবীদের।
এইদিকে মৎস্যজীবীদের ক্ষতির জন্য তাদের পরিবারে দেখা দিয়েছে সংকট। সংসার প্রতি পালনে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। সেই কারণেই এবার নিজের এলাকার মাছের চলার ছেড়ে ভিন রাজ্যে কাজ করার জন্য পাড়ি দিয়েছে অনেকেই।
