ওঙ্কার দেস্ক: পাঞ্জাবের মুল্লানপুরের মাঠে জেন একাই ঝড় তুললেন বৈভব সূর্যবংশী। তাঁর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সামনে কার্যত অসহায় দেখাল সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদকে। এলিমিনেটরের মতো বড় ম্যাচে মাত্র ২৯ বলে ৯৭ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে রাজস্থানকে বিশাল রানের ভিত গড়ে দেন তরুণ এই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৪৮ রানে জিতে কোয়ালিফায়ারের পথে বড় পদক্ষেপ নিল রাজস্থান। প্যাট কামিন্সের গতিকে তিনি ভয় পাননি। যেভাবে শুরু থেকে রণং দেহি মেজাজে ব্যাট করেন, তাতে বোঝাই যাচ্ছিল এদিনের রাতটা তাঁরই। ২৯ বলে ৯৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। পাঁচটি চার ও ১২টি ছক্কা আসে সূর্যবংশীর চওড়া ব্যাট থেকে। এরপর সামনের পা সরিয়ে মিড অফে শট খেলে বৈভব। রাউন্ড দ্য উইকেটে এসে বৈভবের অফ স্টাম্প লক্ষ্য করে লেংথে বল করা শুরু করেন তিনি। তা-ও কাজে আসেনি। কভার ও মিড অফে ছক্কা খান কামিন্স। সঙ্গে সঙ্গে প্ল্যান বি অনুযায়ী বল করা শুরু করে হায়দরাবাদ। কামিন্স-সহ সাকিব হুসেন, প্রফুল্ল হিঙ্গে, ঈশান মালিঙ্গারা বৈভবকে দ্রুত গতিতে বাউন্সার করা শুরু করেন। কিন্তু তাতেও বৈভবকে আটকানো যায়নি। একের পর এক পুল শট মারতে শুরু করে সে। স্কয়্যার লেগ, মিড উইকেট ও লং লেগে কয়েকটি ছক্কা মারে সে। আর একটু হলেই ক্রিস গেলের দ্রুততম শতরানের রেকর্ড ভেঙে যেত। ২০১৩ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জর্স বেঙ্গালুরুর হয়ে রাইজ়িং পুণে সুপারজায়ান্টসের বিরুদ্ধে ৩০ বলে শতরান করেছিলেন তিনি। যে বলে বৈভব আউট হল, সেটি আর একটু হলেই ছক্কা হয়ে যেত। কিন্তু হল না। ফলে রক্ষা পেল গেলের রেকর্ড। কিন্তু ২৯ বলে ৫ চার ও ১২ ছক্কার ইনিংসে বৈভব যে ঝড় তুলল, তার প্রশংসা করল গোটা স্টেডিয়াম। মুগ্ধ ক্রিকেটপ্রেমীরা।
আর একটু হলেই ক্রিস গেলের দ্রুততম শতরানের রেকর্ড ভেঙে যেত। ২০১৩ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জর্স বেঙ্গালুরুর হয়ে রাইজ়িং পুণে সুপারজায়ান্টসের বিরুদ্ধে ৩০ বলে শতরান করেছিলেন তিনি। যে বলে বৈভব আউট হল, সেটি আর একটু হলেই ছক্কা হয়ে যেত। কিন্তু হল না। ফলে রক্ষা পেল গেলের রেকর্ড। কিন্তু ২৯ বলে ৫ চার ও ১২ ছক্কার ইনিংসে বৈভব যে ঝড় তুলল, তার প্রশংসা করল গোটা স্টেডিয়াম। মুগ্ধ ক্রিকেটপ্রেমীরা।