স্পোর্টস ডেস্ক : এবারে বোর্ডের কাছে মুখ পুড়লো সিএবি-র। বোর্ডের ম্যাচের দায়িত্ব পেয়ে উপযুক্ত পিচ তৈরি করতে ব্যর্থ সিএবি কর্তারা। বোর্ডের অনুর্ধ ১৯ মহিলাদের T-20 ক্রিকেটের এলিট গ্রূপের দুটি প্রি-কোয়ার্টার ম্যাচ (অন্ধ্রপ্রদেশ-রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশ-দিল্লি) আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল সিএবি। বৃহস্পতিবার ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল দেশবন্ধু পার্কে। বুধবার ম্যাচ অফিসিয়ালরা দেশবন্ধু পার্কে গিয়ে দেখেন পিচ খেলার উপযুক্ত নয়। তারা সঙ্গে সঙ্গে বোর্ডকে জানায়। বিষয়টা জেনে সিএবি-কে মেল করে নট ফিট টু প্লে বলে জানিয়ে দেন বোর্ডের জেনারেল ম্যানেজার আবে কুরুভিল্লা। সিএবি কর্তারা তখন বাধ্য হয়ে ম্যাচ দুটি বারাসতে সরিয়ে নিয়ে যায়। পুরো ঘটনায় বিরক্ত বোর্ড।
বেশ কয়েকদিন সিএবি সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি লন্ডনে মেয়ের কাছে ছিলেন। কিন্তু সিএবি-র বাকি কর্তারা কলকাতা শহরেই ছিলেন। শোনা যাচ্ছে, পুরো দায়িত্বটা ছিল যুগ্ম সচিব মদন ঘোষের উপর। তাঁকেই দায় নিতে হবে বলছেন সি এ বি র অনেকে। অতীতে অর্থাৎ গতবার এই যুগ্ম সচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দেবব্রত দাস ছিলেন। তাঁর দুর্নীতিতে সিএবি-র মুখ পোড়ে। সঞ্জয় দাস, প্রসেনজিৎ ব্যানার্জী, শ্রীমন্ত কুমার মল্লিকরা থাকতে কেন নানা অভিযোগ অতীতে থাকা সত্ত্বেও মদন ঘোষকে সিএবি-র যুগ্ম সচিবের মতো দায়িত্ব দেওয়া হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্বাভাবিক ভাবেই সিএবি-র নতুন কমিটি সদস্যদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মুখ পুড়ছে সিএবি-র। এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে অবশ্য শেষপর্যন্ত বারাসতে এই ম্যাচ হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
