স্পোর্টস ডেস্ক: এবার পুরুষদের ব্যালন ডি’অর জিতলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক এবং বায়ার্ন মিউনিখের তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেন। অন্যদিকে, মহিলাদের বিভাগে তৃতীয়বারের জন্য এই সম্মানজনক পুরস্কার জিতলেন স্পেনেরতারকা ফুটবলার অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস। ফুটবলের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারের মঞ্চে নতুন ইতিহাস গড়লেন দুই তারকা। লিওনেল মেসি,কিলিয়ান এমবাপে , ল্যামিন ইয়ামালের মতো তারকাদের পিছনে ফেলে পুরুষদের ব্যালন ডি’অর জিতলেন কেন। ২০০১ সালে এই পুরস্কার জিতেছিলেন মাইকেল ওয়েন। ২৫ বছর পর প্রথম ইংরেজ ফুটবলার হিসেবে এই পুরস্কার জয়ের নজির গড়লেন কেন।
ক্লাবের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মঞ্চেও নজর কেড়েছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। গত মরসুমে গোলের সামনে কার্যত অপ্রতিরোধ্য ছিলেন কেন। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ৭৩টি গোল এবং আটটি অ্যাসিস্ট। অর্থাৎ, মোট ৮১টি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন তিনি। তাঁর দুরন্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে বুন্দেশলিগা , জার্মান কাপ এবং জার্মান সুপার কাপ জিতেছে বায়ার্ন মিউনিখ। বুন্দেশলিগায় ৩১ ম্যাচে ৩৬ গোল করে দলের খেতাব জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন কেন। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমি-ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সাঁ জারমাঁর কাছে হারতে হলেও ইউরোপের সেরা প্রতিযোগিতায় গোল করার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছিলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। ১৩ ম্যাচে ১৪ গোল করেন তিনি। রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালের দুই লেগে এবং পিএসজি-র বিরুদ্ধে সেমি-ফাইনালেও গোল পেয়েছিলেন কেন। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও সাফল্য পেয়েছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলে ইংল্যান্ডের হয়ে ছয় গোল করার পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্টও করেছেন তিনি। তাঁর পারফরম্যান্সের সুবাদেই বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন করে থ্রি লায়ন্সরা। শুভেচ্ছা জানালেন বিরাট কোহলি। এই তারকা ক্রিকেটার সোশ্যাল মিডিয়াতে লিখলেন,’হ্যারি, আমার বন্ধু, এত বছর ধরে ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তোমার অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম এবং সততার সঙ্গে নিজেকে যেভাবে তুলে ধরেছো, তার জন্য এই পুরস্কারের প্রতিটি অংশই তোমার প্রাপ্য। তোমার জন্য আমি সত্যিই খুব খুশি। ঈশ্বর তোমাকে এবং তোমার পরিবারকে আশীর্বাদ করুন। তোমার এই যাত্রা নিয়ে তোমার পরিবার নিশ্চয়ই খুব গর্বিত। যেমন তুমি নিজেও তোমার সাফল্য নিয়ে গর্বিত। সব সময় আমার শুভকামনা রইল অভিনন্দন।’