স্পোর্টস ডেস্ক : ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো কেঁদেছিলেন। নেইমার কেঁদেছিলেন। কিন্তু মেসি কাঁদলেন কেন ! ম্যাচের পরে মেসি বললেন, ম্যাচের পর প্রচণ্ড তৃপ্তি পেয়েছিলাম। পেনাল্টি নষ্ট করার পর নিজের উপরে প্রচণ্ড রেগে গিয়েছিলাম। যে ভাবে শট নিয়েছি তা একেবারেই ঠিক ছিল না। মনে হচ্ছিল, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলকে ডুবিয়েছি। তবে দিনের শেষে ঈশ্বর আমার জন্য ভাল কিছুই লিখে গিয়েছিলেন। সমতা ফেরানোর গোলটা আমি করেছি। তাতে এতটা শান্তি পেয়েছি এবং খুশি হয়েছি যে প্রকাশ করার ভাষা নেই। যদি পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারতাম তা হলে খেলাটা অন্য দিকে মোড় নিত। কারণ, তার আগে আমরা ভাল খেলছিলাম। এমনকি ওরা গোল করার পরেও। দুর্দান্ত কিছু সুযোগ তৈরি করেছিলাম। যেমন আলেক্সিস ম্যাকঅ্যালিস্টার বা জুলিয়ান আলভারেজের ক্ষেত্রে। গোলকিপার গোললাইন থেকে সেভ করেছে। এই দলটা জেতার যোগ্য ছিল। আমি খুব খুশি।”
এদিকে আর্জেন্টিনার কোচ স্কোলানি বলেন, “সমর্থকেরা আমাদের খেলা দেখে খুশি হয়নি জানি। কিন্তু আমরা খারাপ ম্যাচ খেলিনি। এই ধরনের পরিস্থিতির জন্যই তো কোচ হয়েছি। আমরা দেখিয়েছি, কঠিন পরিস্থিতিতেও কী ভাবে লড়তে পারি। লড়াই না করলে আজ ছিটকেই যেতাম। বরাবর ভেবেছিলাম ম্যাচ আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলাফলের কথা বাদ দিয়েই বলছি, আমরা খারাপ খেলিনি। অনেক সুযোগ তৈরি করেছি। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে আমরা আরও খারাপ খেলেছিলাম। বার বার সমস্যায় পড়েছি। আজ ০-২ পিছিয়ে থাকা অবস্থাতেও জানতাম ঠিক একটা সুযোগ পাব এবং ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেব। আজ অন্য রকম ফুটবল খেলেছি আমরা।”
ম্যাচের পর মেসিকে কাঁদতে দেখা গিয়েছে। এ ভাবে দলের প্রত্যাবর্তন দেখে আবেগে ভেসে গিয়েছিলেন তিনি। চোখে জল এসে গিয়েছিল স্কালোনিরও। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “মেসি সকলের কাছে অনুপ্রেরণা। পেনাল্টি নষ্ট করার পরেও সব সময় বল চাইছিল, যাতে এগিয়ে গিয়ে গোল করতে পারে। আর আমি তো সব সময় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ি। মাঝে মাঝে চোখ দিয়ে জলও বেরিয়ে আসে। সাজঘরেও কেঁদেছি। ছেলেরা আমাকে ‘ছিঁচকাঁদুনে’ বলে ডাকে। আমি পাত্তা দিই না।”