স্পোর্টস ডেস্ক : প্রথম ম্যাচে ১-১ ব্যবধানে মরক্কোর বিরুদ্ধে ড্র করলেও, এই ম্যাচটি কার্যত মরণ-বাঁচন লড়াই হয়ে দাঁড়ায় সেলেকাওদের সামনে। অন্যদিকে, হাইতিও আবার স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১-১ গোলে পরাজিত হয়। তাই তাদের কাছেও এই ম্যাচটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়। আর তারপরেই রীতিমতো গ্রুপ সি-র লড়াই জমে ওঠে। অতএব, দুই দলই হাড্ডাহাড্ডি ফুটবল খেলার লক্ষ্যে মাঠে নামে। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, কেউ কাউকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে পারবে না। আর সেই লড়াই শেষে ৩-০ গোলে জয় হাসিল করল ব্রাজিল। খেলার শুরু থেকেই চাপ বাড়াতে শুরু করে তারা। পাল্টা ডিফেন্সকে সজাগ রেখে কাউন্টার অ্যাটাকের উপর নির্ভর করে হাইতিও। ম্যাচের ১৬ মিনিটে, ডি বক্সের বাঁদিক থেকে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের ডান পায়ের জোরালো শটটি আটকে যায়। এরপর ২০ মিনিটে, ফের শট নেন ভিনি। কিন্তু এক্ষেত্রেও তা প্রতিহত হয়।
গোটা ম্যাচে ভিনিসিয়াস জুনিয়র একাধিকবার আক্রমণ তুলে আনেন। ম্যাচের ২২ মিনিটে, ব্রুনো গিমারাইসের পাস থেকে বল পেয়ে গোলপোস্টের মাঝ বরাবর ডান পায়ের জোরালো শট নেন সেই ভিনি। কিন্তু সতর্ক ছিলেন হাইতি গোলকিপার জনি প্লাসিড। তিনি এই শট রুখে দেন। ২৩ মিনিটের মাথায়, দ্রুত পাল্টা আক্রমণ তুলে আনে ব্রাজিল। একেবারে বক্সের মাঝখান থেকে বাঁ পায়ে নেওয়া ম্যাথিউস কুনহার শটটি গোলপোস্টের নিচ দিয়ে লেফট কর্নার বরাবর গিয়ে জালে জড়িয়ে যায়। আর সেই সুবাদেই ব্রাজিল খেলায় লিড নেয় ১-০ ব্যবধানে।
অন্যদিকে, ম্যাচের ২৮ মিনিটে, র্যাফিনহার শট সেভ করেন জনি প্লাসিড। এই আক্রমণটির ক্ষেত্রে লুকাস পাকেতা একটি থ্রু বল বাড়িয়েছিলেন। তারপর ৩৫ মিনিটের মাথায়, আবার গোল। এক্ষেত্রেও সেই ম্যাথিউস কুনহা। বক্সের বাঁ-প্রান্ত থেকে বাঁ পায়ের শটে গোলপোস্টের টপ লেফট কর্নার দিয়ে অসাধারণ গোল করে যান কুনহা। এই গোলটির ক্ষেত্রে থ্রু বল বাড়ান ভিনিসিয়াস জুনিয়র। খেলার ফলাফল তখন ২-০।খেলার ৭৬ মিনিটে, ডগলাস স্যান্টোসের শট বারপোস্টের উপর দিয়ে উড়ে যায়। অপরদিকে, এনড্রিকের গোল অফসাইডের জন্য বাতিল হয়। বলা চলে, দ্বিতীয়ার্ধেও ব্রাজিলের আক্রমণের ধারা বজায় ছিল। কিন্তু আর কোনও গোল আসছিল না। ম্যাচের ফলাফল তখনও ৩-০।