স্পোর্টস ডেস্ক : স্বপ্নভঙ্গ ইস্টবেঙ্গলের। ডার্বি জয়ের হ্যাংওভার কাটাতে না পেরে সেমিফাইনালে বাংলা দল ডায়মন্ডহারবার এফসির কাছে ডুরান্ড সেমিফাইনালে ২-১ গোলে হেরে ডুরান্ড থেকে ছুটি হয়ে গেলো টিম লাল হলুদের। প্রথমবার ডুরান্ড কাপে খেলতে নেমেই ফাইনালে গিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করলো অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের ডায়মন্ডহারবার। এদিন প্রথম থেকেই ম্যাচ হাড্ডাহাড্ডি হয়। তবে অনেক গোল মিস করে দুই দলই। আর ডার্বির নায়ক দিমির কপাল এদিন সঙ্গে ছিল না একাধিক গোল মিস করলেন তিনি। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই লুকা মাজসেনের গোলে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল ডায়মন্ড হারবারের সামনে। কিন্তু কোন রকমে বল ক্লিয়ার করে দলকে পিছিয়ে পড়া থেকে বাঁচান লাল-হলুদ রক্ষণ ভাগের নয়া বিদেশি কেভিন সিবিলে।
৮ মিনিটে স্যামুয়েলের ডান দিকে জবি জাস্টিনের উদ্দেশে দেওয়া পাস। সেই বল ধরে ব্যাক পাস করেন পলকে। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট সোজা তালুবন্দি করেন ইস্টবেঙ্গলের গোলকিপার প্রভসুখন গিল।
১০ মিনিটে জবি জাস্টিনের দেওয়া ব্যাক পাস দিয়ে। বল পান ডার্বি জয়ের নায়ক দিমিত্রিয়স দিয়ামন্তাকস। কিন্তু তার আগেই বল ধরে নেন ডায়মন্ডের গোলকিপার মিরশাদ। এরপর l ১৫ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে মহেশের বাড়ানো বল, বক্সের ভিতরে বল ধরে মিগুয়েল শট নিয়ে বাইরে মারেন।
১৯ মিনিটে বাঁদিক থেকে রবিলাল মান্ডির বাড়ানো ধরে গোলের সামনে জবি জাস্টিন শট নিলেও গিলে গায়ে বল লেগে বেরিয়ে যায়। রেফারি কর্নারের নির্দেশ দেন। ২২ মিনিটে আনোয়ার আলির নেওয়া দূরপাল্লার শট মিরশাদ সেভ করে দলকে বাঁচান।
২৪ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে রবিলাল মান্ডির থেকে বল পেয়ে স্যামুয়েল বক্সের ভিতরে জোড়ালো শট নেন, ক্রসবারে লেগে বেরিয়ে যায়। ৪২ মিনিটে মহেশের সেন্টার, বক্সের ভিতরে দিমিত্রিয়সের নেওয়া হেড বাইরে যায় বল।
প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে বক্সের মাথা থেকে মহেশের নেওয়া শট ডায়মন্ডের গোলকিপার মিরশাদের হাতে লেগে বারে লেগে বেরিয়ে আসে। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশুন্য ব্যবধানে। সেকেন্ড হাফেও লাল হলুদের দিমি অনেক গোলের সুযোগ পেয়ে মিস করেন। কখনও বল বাইরে মারেন বা কখনও বক্সে। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানে। সেকেন্ড হাফে ৫৪ মিনিটে ফের মিস
মিগুয়েলের কর্নার থেকে বল পেয়ে ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে পারলেন না দিয়ামান্তাকোস। ৬৬ মিনিটে মিকেলের দুর্দান্ত ব্যাক ভলিতে এগিয়ে যায় ডায়মন্ড হারবার। যদিও গোল খেয়ে ১ মিনিটের মধ্যে গোল শোধ করে ইস্টবেঙ্গল। গোল খাওয়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে কামব্যাক ইস্টবেঙ্গলের। মাঝমাঠ থেকে সরাসরি শটে গোল করলেন আনোয়ার আলি।এরপর রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরক্ত প্রকাশ করে হলুদ কার্ড দেখেন লাল হলুদ কোচ অস্কার ব্রুজো। ৮৫ মিনিটে কর্নার থেকে বল পেয়ে গোল করেন ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তনি জবি জাস্টিন। এরপরে আবার ইস্টবেঙ্গল গোলের সুযোগ পায়। তবে বল বাইরে মারেন। জয় দিয়েই মাঠ ছাড়লো টিম কিবু ভিকুনা শনিবার ফাইনালে গতবারের চ্যাম্পিয়ন নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে নামবে ডায়মন্ডহারবার।
