ওঙ্কার ডেস্ক: জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হওয়া সুমিত রায়কে ঘিরে নিয়োগ দুর্নীতির নতুন অভিযোগ সামনে এল। পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা থানায় তাঁর বিরুদ্ধে এ নিয়ে একটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। সুমিত বর্তমানে সিআইডির হেফাজতে রয়েছেন। এর মধ্যেই নতুন মামলা দায়ের হল তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, প্রায় ৯০ জন চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে ধাপে ধাপে বিপুল টাকা নিয়েছেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক।
নিজেকে তৃণমূলকর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তির অভিযোগ, সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রথমে প্রত্যেক প্রার্থীর কাছে কয়েক লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল। যাঁরা টাকা দিতে রাজি হন, তাঁদের সঙ্গে এজেন্টদের মাধ্যমে যোগাযোগ করানো হয়। প্রথম দফার টাকা ওই এজেন্টদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে। এরপর বাকি টাকা নেওয়ার জন্য প্রার্থীদের কলকাতায় ডাকা হয়। অভিযোগকারীর দাবি, দক্ষিণ কলকাতার লেক রোডের একটি ক্যাফেতে সুমিতের সঙ্গে তাঁদের সরাসরি দেখা হয়েছিল। সেখানেই নগদ টাকার লেনদেন হয়েছিল বলে অভিযোগ।
চাকরি পাওয়ার প্রক্রিয়াকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে প্রার্থীদের জাল ওএমআর শিট দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ। তাঁদের সেই শিট পূরণ করতে বলা হয়েছিল।
এর পরবর্তী পর্যায়ে কয়েকজন প্রার্থীর মেডিক্যাল পরীক্ষাও করানো হয় বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে। চাকরির আশায় প্রার্থীরা ওই সব প্রক্রিয়ায় অংশ নেন। অভিযোগ অনুযায়ী, একাধিক ধাপে মোট ৬৭ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে। এই বিপুল আর্থিক লেনদেনে সুমিত ছাড়াও আর কারা জড়িত ছিলেন, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।