ওঙ্কার ডেস্কঃ মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের রায়ে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল শীর্ষ আদালত। উচ্চ আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন শুভ্রাংশু রায়। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ এই স্থগিতাদেশ দিয়েছে। সঙ্গে এই মামলায় বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের শুভেন্দু অধিকারী, অম্বিকা রায় এবং মুকুল রায়কে নোটিশ জারি করা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, চার সপ্তাহের মধ্যে তাঁদের হলফনামা জমা দিতে হবে।
মুকুল রায় দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ। বাংলার রাজ্য রাজনীতি থেকে বহু দূরে। সব দিক বিবেচনা করেই সুপ্রিম কোর্ট আপাতত হাই কোর্টের নির্দেশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এক সময় মুকুল রায়কে বলা হত তৃণমূলের চাণক্য। তিনি তৃণমূলের শুরুর সময় থেকে দলের সঙ্গে ছিলেন। তবে ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে বিজেপিতে যোগ দেন। ২০২১ সালে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন মুকুল। জিতে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু পরে আবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। দল বদলালেও বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেননি। বিধানসভার স্পিকারের কাছে বিজেপি এ বিষয়ে অভিযোগ জানালে স্পিকার জানিয়ে দিয়েছিলেন, মুকুল বিজেপিতেই আছেন। তাই তাঁর পদ খারিজ করা যাবে না। এর পরেই মুকুলের বিরুদ্ধে আদালতে দলত্যাগ বিরোধী আইনে মামলা করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই মামলায় মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন শুভ্রাংশু রায়।
