ওঙ্কার ডেস্ক: রাজ্য রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছিল বারুইপুর। যেখানে এক নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছিল। উন্মত্ত জনতা অভিযুক্ত সন্দেহে এক নির্দোষ যুবককে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করেছিল। নবান্ন সূত্রের খবর, শনিবারই নিহত যুবক ইন্দ্রজিতের পরিবনারের সঙ্গে দেখা করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যে প্রশাসন ইন্দ্রজিতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। নিহত যুবকের বাড়ি সারাই করে দিচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন।
শুক্রবার সকালে ইন্দ্রজিতের বাড়ি পরিদর্শনে যান আইজি প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ কঙ্করপ্রসাদ বারুই। শনিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইন্দ্রজিতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গেও দেখা করবেন। বারুইপুরের সূর্যপুরে যেখানে এই নৃশংস ঘটনা ঘটেছিল সেখানে একটি পুলিশ ফাঁড়িরও উদ্বোধন করবেন পুলিশ মন্ত্রী। ইন্দ্রজিতের পরিবারের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে বাড়ির সামনে। শুধু তাই নয়, নজরদারি চালানোর জন্য বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরাও। ইতিমধ্যে প্রশাসনের আধিকারিকরা খাদ্য সামগ্রী ও জামাকাপড় পৌঁছে দিয়েছে ইন্দ্রজিতের বাড়িতে। প্রশাসন পাশে দাঁড়ানোয় কিছুটা ভরসা পাচ্ছে ওই পরিবারটি। তাঁদের দাবি, দোষীরা যেন কেউ ছাড় না পায়।
উল্লেখ্য, গত শনিবার বারুইপুরে ১১ বছরের এক বালিকা নিখোঁজ হয়ে যায়। বাড়ি থেকে অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। পুলিশকে জানালেও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ। পরদিন অর্থাৎ রবিবার সকালে পুকুর থেকে ওই নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ, গণধর্ষণের পর তাকে খুন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও সেই প্রমাণ মেলে। এর পর বিক্ষুব্ধ জনতা রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখায়। এক যুবককে অভিযুক্ত সন্দেহে পিটিয়ে খুন করে। তার পরেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাস্তায় নামে পুলিশ। পুলিশের উপও হামলার অভিযোগ ওঠে।