হার্ট অ্যাটাকের সাধারণ লক্ষণ
বুকের মাঝখানে চাপ, চেপে ধরা, ভারী লাগা, জ্বালা বা ব্যথা—কয়েক মিনিট থাকতে পারে বা কমে আবার ফিরে আসতে পারে।
ব্যথা/অস্বস্তি এক বা দুই হাত, কাঁধ, পিঠ, ঘাড়, চোয়াল বা ওপরের পেটে ছড়িয়ে যেতে পারে।
শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা থাকুক বা না থাকুক।
অনাবশক ঘাম।
বমি বমি ভাব বা বমি।
মাথা ঘোরা, দুর্বল বা অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগা।
হৃদস্পন্দন দ্রুত বা অনিয়মিত মনে হওয়া।
বিশেষ করে নারী, বয়স্ক ব্যক্তি বা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে বুকব্যথা খুব স্পষ্ট নাও হতে পারে; শ্বাসকষ্ট, বমি বমি ভাব, পিঠ/কাঁধে ব্যথা বা অস্বাভাবিক দুর্বলতাই প্রধান উপসর্গ হতে পারে।
এমন উপসর্গ হলে কী করবেন
অবিলম্বে স্থানীয় জরুরি নম্বরে ফোন করুন। নিশ্চিত না হলেও অপেক্ষা করবেন না। দ্রুত চিকিৎসা হৃদপেশির ক্ষতি কমাতে পারে।
রোগীকে বসিয়ে বা আরামদায়ক অবস্থায় বিশ্রামে রাখুন এবং একা ছেড়ে যাবেন না।
নিজে গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে যাবেন না; সম্ভব হলে অ্যাম্বুলেন্সে যান।
অ্যাসপিরিন সম্পর্কে : জরুরি চিকিৎসা ডাকার পর, সচেতন প্রাপ্তবয়স্কের তীব্র বুকব্যথায় অ্যাসপিরিনে অ্যালার্জি না থাকলে এবং চিকিৎসক আগে নিষেধ না করে থাকলে, জরুরি চিকিৎসাকর্মীর নির্দেশ অনুযায়ী চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে। তবে অ্যাসপিরিন খাওয়ার জন্য জরুরি চিকিৎসা ডাকতে দেরি করবেন না।
ব্যক্তি অচেতন হয়ে গেলে এবং স্বাভাবিকভাবে শ্বাস না নিলে, আশেপাশে কেউ CPR জানলে CPR শুরু করুন এবং AED থাকলে ব্যবহার করুন।
এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে এ সকল সতর্কতা অবলম্বনের সঙ্গে সঙ্গে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।