ওঙ্কার ডেস্ক: থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্ত সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে হল ৩২। দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ শনিবার তৃতীয় দিনে পড়েছে। সংঘাতের ফলে কয়েক হাজার মানুষ বর্তমানে ঘর ছাড়া। দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের আবহে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ শুক্রবার রাতে নিউইয়র্কে একটি রুদ্ধদ্বার জরুরি বৈঠক করেছে। ইতিমধ্যে উভয় দেশকে শত্রুতা বন্ধের আহ্বান জানানোর পাশাপশি মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে মালয়েশিয়া।
নিরাপত্তা পরিষদ কোনও বিবৃতি জারি না করলেও এক জন কূটনীতিক জানিয়েছেন, নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য প্রত্যেকেই উভয় পক্ষকে উত্তেজনা কমাতে, সংযম প্রদর্শন করতে এবং শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ মীমাংসা করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। কম্বোডিয়ার রাষ্ট্রসঙ্ঘের রাষ্ট্রদূত ছিয়া কেও সাংবাদিকদের বলেন, তাঁর দেশ ‘নিঃশর্তভাবে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি চেয়েছে এবং আমরা সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানেরও আহ্বান জানাচ্ছি।’
কম্বোডিয়া থাইল্যান্ড আক্রমণ করেছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিমান বাহিনী নেই এমন একটি ছোট দেশ কীভাবে তার তিনগুণ বড় সেনাবাহিনী রয়েছে এমন একটি বৃহত্তর দেশকে আক্রমণ করতে পারে? তিনি বলেন, ‘আমরা তা করি না।’ কেও বলেন, নিরাপত্তা পরিষদ উভয় পক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম এবং কূটনৈতিক সমাধানের’ আহ্বান জানিয়েছে, যা কম্বোডিয়াও দাবি করছে। যদিও রাষ্ট্রসঙ্ঘের থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা না বলেই সভা ছাড়েন। শুক্রবার থাই স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ৫৮,০০০ এরও বেশি মানুষ ঘর ছেড়ে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। অন্যদিকে কম্বোডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, ২৩,০০০ এরও বেশি মানুষকে সীমান্তের কাছাকাছি এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
