ওঙ্কার ডেস্ক: কম্বোডিয়ার প্রাক্তন নেতা হুন সেনের সঙ্গে একটি ফোনকলের রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। আর তার জেরে আগেই থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রার পদ স্থগিত করেছিল আদালত। এ বার তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করল দেশটির সাংবিধানিক আদালত।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়ার পর এখন সে দেশে দুটি পদ্ধতিতে নতুন সরকার গঠন হতে পারে। প্রথমটি হচ্ছে, দেশটির আইন প্রণয়নকারীরা যদি একমত হন তবে নতুন সরকার গঠন করতে পারে। সেটি না হলে আরেকটি পথ হচ্ছে নতুন করে নির্বাচন আয়োজন করা। উল্লেখ্য, গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের আগষ্ট মাসে পেতংতার্ন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। সে সময় তাঁর বয়স ছিল ৩৭ বছর। থাইল্যান্ডের ইতিহাসে পেতংতার্ন সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। তবে ক্ষমতার আসনে বেশি দিন থাকতে পারলেন না তিনি। মাত্র এক বছরের মাথায় তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত হতে হল।
পেতংতার্ন এর যে ফোনকলটি ফাঁস হয়েছে সেখানে তাঁকে কম্বোডিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে ‘আঙ্কেল’ বলে অভিহিত করতে শোনা গিয়েছে। যে কথোপকথনে তিনি নিজ দেশের সেনাবাহিনীর সমালোচনা করেছেন বলে অভিযোগ। গত ১৫ জুন ফোনের মাধ্যমে হওয়া ওই কথোপকথনে হুন সেনকে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো কিছু চাইলে, আমাকে বলবেন। আমি বিষয়টি দেখব।’ তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে শুরু হয় জোর সমালোচনা। যদিও পেতংতার্ন দাবি করেন, কম্বোডিয়ার সঙ্গে থাইল্যান্ডের চলমান উত্তেজনা কমানোর কৌশল হিসেবে তিনি এ ভাবে কথা বলেছিলেন।
