ওঙ্কার ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন অঞ্চলে বর্তমানে মোট বাঘ রয়েছে প্রায় ১৩১টি। কিন্তু রিপোর্ট বলছে, নানা কারণে ব দ্বীপ অঞ্চলে বাঘ সুরক্ষিত জায়গা ছেড়ে বাইরে ঘোরাঘুরি করছে। এমন বাঘের সংখ্যা প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি। দখিন রায়ের এমন দলছুট কর্মকাণ্ডে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে পশুপ্রেমীদের কপালে। কারণ লোকালয়ে ঢুকে পড়লে স্থানীয়দের ক্ষতির পাশাপাশি বাঘেরও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সুন্দরবনের গভীর অরণ্য ছেড়ে বাঘের বাইরে বেরিয়ে আসার পিছনে বহু কারণ রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে দ্বীপ ভাঙন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, জঙ্গল ধ্বংস করে মানুষের বসতি। সুন্দরবনের বাঘের থাকার জায়গা ধীরে ধীরে কমছে। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের মধ্যে সংঘাতে জড়াচ্ছে ডোরাকাটা। লোকালয়েও ঢুকে পড়ছে তারা। সব মিলিয়ে তাদের জীবন সংশয় বাড়ছে। তবে এই সমস্যা শুধু পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনে নয়। ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও বাঘ মুল জায়োগা ছেরে বাইরে বেরিয়ে আসছে।
উল্লেখ্য, শেষ বাঘশুমারির তথ্য অনুযায়ী ভারতের মধ্যপ্রদেশে বাঘ রয়েছে ৭৮৫টি। তার মধ্যে ২০০ থেকে ২৫০ টি কোর রিজার্ভের বাইরে রয়েছে। কর্নাটকে রয়েছে ৫৬৩ বাঘ। যার মধ্যে ৮০ থেকে ৯০ টি রয়েছে মূল০ এলাকার বাইরে। উত্তরাখণ্ডে রয়েছে ৫৬০টি ডোরাকাটা, এই রাজ্যে কোর রিজার্ভের বাইরে রয়েছে ১৫০ থেকে ১৮০টি। এ ছাড়া মহারাষ্ট্রে থাকা ৪৪৪টি বাঘের মধ্যে ১২০–১৫০ বাইরে রয়েছে। উত্তরপ্রদেশে থাকা ২০৫ বাঘের মধ্যে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ রয়েছে বাইরে। তামিলনাড়ুর ৩০৬টি বাঘের মধ্যে ৪০ থেকে ৫০টি রয়েছে বাইরে। কেরলে ১৮৩ বাঘের মধ্যে ২৫ থেকে ৩০টি রয়েছে বাইরে। অসমে ১৮২ বাঘের মধ্যে ৩০ থেকে ৪০টি মূল এলাকার বাইরে রয়েছে। রাজস্থানে রয়েছে মোট ৮৮টি বাঘ, তার মধ্যে ১৫ থেকে ২০টি মূল এলাকার বাইরে ঘোরাঘুরি করে।
