ওঙ্কার ডেস্ক: আরও বিপাকে তৃণমূল কংগ্রেস। জোড়াফুল শিবিরের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা তোলা ও জমা দেওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল পুলিশ। ইতিমধ্যে ব্যাঙ্কগুলিকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তদন্তকারীদের তরফে। এক বিধায়কের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সূত্রের খবর, যে তিন অ্যাকাউন্টে লেনদেন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলিতে সম্মিলিত সঞ্চিত টাকার পরিমাণ ৪৪০ কোটি। তিনটির মধ্যে এআইটিসির অ্যাকাউন্টে শুধু রয়েছে ২৬০ কোটি টাকা রয়েছে। দলের ত্রিপুরা এবং গোয়ার অ্যাকাউন্টে রয়েছে ১৮০ কোটি টাকা। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূলের পরিষদীয় দলে ভাঙন হয়েছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সিংহভাগ বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। এই আবহে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন বিদ্রোহী বিধায়করা। ইতিমধ্যে তাঁরা থানার দ্বারস্থও হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে লেনদেন বন্ধের নির্দেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বিধায়ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন, তাঁকে নিশানা করেছেন যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পন্থী বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সমাজ মাধ্যমে বেলেঘাটার বিধায়ক লিখেছেন, ‘তৃণমূলের কোনও অ্যাকাউন্ট থেকে এ বার ভোটে প্রার্থী হিসেবে আপনাদের টাকা দেওয়া হয়েছিল কি না! যদি সেই অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে আপনাদের অভিযোগ থাকে, তা হলে টাকা নিলেন কেন? নিজের ভোটে কাজে লাগালেন কেন?’ তাঁর আরও প্রশ্ন, ‘যদি এখন নীতিগত আপত্তি থাকে, তা হলে সেই টাকা আগে ফেরত না দিয়ে অ্যাকাউন্ট নিয়ে অভিযোগ করলেন কেন?’ তৃণমূল নেতা বলেন, অ্যাকাউন্টে থাকা টাকা অবৈধ হলে, সেই টাকায় যারা নির্বাচনে লড়েছেন, তাঁদের ভোটকেও অবৈধ ঘোষণা করা হোক।