ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবস ঘিরে সোমবার সকাল থেকেই জনসমুদ্র কলকাতার ধর্মতলায়। রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে হাজার হাজার তৃণমূল কর্মী-সমর্থক এসে ভিড় জমিয়েছেন শহরের বুকে। পোস্টার, ফ্লেক্স, বড় কাটআউট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছেয়ে গেছে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলের কাছে এটি শেষ ২১ জুলাই সমাবেশ তাই রাজনৈতিক গুরুত্বও তুঙ্গে। এই আবহেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এ দিন সকালে উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন বিজেপির যুব মোর্চার উত্তরকন্যা অভিযান-এ যোগ দিতে।
কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শাসক শিবিরের এই শক্তি প্রদর্শনকে একরকম তাচ্ছিল্যই করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, ‘এটা কোনও সভা নয়, পাগলু ডান্স হবে।’ শুভেন্দুর অভিযোগ, তৃণমূলের ২১ জুলাই কোনও শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধার কর্মসূচি নয় এটি পুরোপুরি রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ। তাঁর দাবি, ‘জোর করে লোক আনানো হয়েছে। বহু মানুষ স্টেশনে এসেই ফিরে গিয়েছেন।’
প্রসঙ্গত, কসবা কাণ্ডের প্রতিবাদে আগে থেকেই উত্তরকন্যা অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন শুভেন্দু। এই কর্মসূচি ঘিরে আদালত পর্যন্ত যেতে হয়েছে বিজেপিকে। শেষমেশ মিলেছে অনুমতিও।
একদিকে ২১ জুলাই শহরের বুকে শাসক শিবিরের শক্তি প্রদর্শন, অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের প্রশাসনিক দফতর ঘিরে বিজেপির যুব মোর্চার বিক্ষোভ সোমবার বাংলার রাজনীতির মঞ্চে কার্যত একইসঙ্গে চলছে দুই শিবিরের আলাদা সুরে দুই কর্মসূচি। ফলে দিনভর নজর থাকছে প্রশাসন ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয় কি না দুই পক্ষের পথ।
