ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলে যে ভাঙন দেখা গিয়েছিল এবং সেই বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে যারা ছিলেন তাঁদের নাম নিয়ে চলছিল চর্চা। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে সেই বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর ১৯ সাংসদদের সই সম্বলিত চিঠি এবার প্রকাশ্যে। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে লেখা সেই চিঠিতে সই রয়েছে দেব এবং ইউসুফ পাঠানেরও
সূত্রের খবর, কাকলির নেতৃত্বে ১৯ সাংসদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়ে পৃথক ব্লক গঠনের আর্জি জানিয়েছেন। তাঁরা এনডিএ শিবিরে যোগ দেওয়ারও ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। যে নথি প্রকাশ্যে এসেছে তাতে প্রথম সই রয়েছে বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের। ‘চিফ হুইপ’ অর্থাৎ মুখ্যসচেতক তাঁর নামের পাশে লেখা রয়েছে। এ ছাড়া সই রয়েছে বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়ের। তাঁকে ডেপুটি লিডার হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। সই রয়েছে মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদারের, বর্ধমান পূর্বের সাংসদ শর্মিলা সরকারের এবং হাওড়ার সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, বোলপুরের সাংসদ অসিত মাল, বাঁকুড়ার সাংসদ অরূপ চক্রবর্তীর নামও রয়েছে।
এ ছাড়া সই করেছেন ঝাড়গ্রামের সাংসদ কালীপদ সরেন, ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব, মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া, ব্যারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক, জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান, মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের খান, বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠান, আরামবাগের সাংসদ মিতালি বাগ এবং কলকাতা দক্ষিণের সাংসদ মালা রায়। উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল বিধায়কদের সিংহভাগ বিধায়ক আলাদা পরিষদীয় দল গঠন করেছেন। বিধানসভায় বিরোধী দলের মর্যাদা মমতা অনুগামীদের হাতছাড়া হওয়ার পর সংসদীয় দলও ভেঙে গিয়েছে। গত ৮ জুন দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদরা বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, অসিত মাল, বাপি হালদার।