ওঙ্কার ডেস্ক: ফের অশান্ত নেপাল। একটি মসজিদ ভেঙে ফেলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে দেশটির পারসা জেলার বীরগঞ্জ শহরে। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন স্থানীয় মানুষজন। যার ফলে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ধর্মীয় স্থাপনার একটি ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর শুরু হয় এই বিক্ষোভ। সেই বিক্ষোভ দ্রুত সহিংস রূপ নেয়। পারসা জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে বিহারের রক্সৌল সীমান্তবর্তী বীরগঞ্জ শহরে কারফিউ জারি করেছে।
পড়শি দেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সিল করেছে ভারত। কেবলমাত্র জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। ঠিক কী ঘটেছে নেপালে? নেপাল পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ধানুশা জেলার কমলা পুরসভার সাখুয়া মারান এলাকায় একদল লোক একটি মসজিদে ভাঙচুর করেছে। সেই ভাঙচুরের একটি ভিডিও শীঘ্রই সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। যার পর সমাজ মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ মূলক বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ধানুশা জেলায় মসজিদ ভাঙার প্রতিবাদে রবিবার সকালে বীরগঞ্জে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় একদল মানুষ। এক পুলিশ কর্তা বলেন, ‘পুলিশকে লক্ষ্য করে বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোঁড়ে। স্থানীয় থানায় ভাঙচুরও চালায়। এর পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় হাফ ডজন কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো হয়।’
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে নেপালে জেন জির বিক্ষোভের মুখে পড়ে দেশ ছাড়েন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। তার পর সে দেশের ক্ষমতার মসনদে বসেন সুশীলা কার্কি। মূলত সমাজমাধ্যমের উপর নিষেধাজ্ঞা চাপানোকে কেন্দ্র করে কেপি শর্মা ওলির প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল গত বছর।
