ওঙ্কার ডেস্ক: উপরাষ্ট্রপতি পদে জগদীপ ধনকড়ের ইস্তফা গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সোমবার রাতেই রাষ্ট্রপতির কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছিলেন ধনকড়। রাষ্ট্রপতি ভবন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকালেই তা গৃহীত হয়েছে।
জগদীপ ধনকড় নিজে ইস্তফাপত্রে শারীরিক অসুস্থতার কারণ উল্লেখ করলেও বিরোধীরা তা মানতে নারাজ। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির দাবি ধনকড়ের ইস্তফার পিছনে রাজনৈতিক কোনও কারণ থাকতে পারে। কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে মঙ্গলবার সকালে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, কী কারণে উপরাষ্ট্রপতি ইস্তফা দিলেন তা একমাত্র তিনি জানেন, অবথবা সরকার জানে। শিবসেনা (উদ্ধব গোষ্ঠী)-র রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত অসুস্থতার তত্ত্ব মানতে নারাজ। তাঁর দাবি ধনকড়ের ইস্তফার পিছনে বড় কোনও রাজনৈতিক খেলা রয়েছে। তাঁর দাবি, সোমবার স্বাভাবিক দেখাচ্ছিল ধনকড়কে।
উল্লেখ্য, সোমবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে লেখা চিঠিতে জগদীপ ধনকড় জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যের কারণে চিকিৎসকদের পরামর্শেই তিনি উপরাষ্ট্রপতি পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন। সেই ইস্তফাপত্রে দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং সাংসদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন ধনকড়। ২০২২ সালের আগস্টে উপরাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন ধনকড়। বেশ কয়েক দিন ধরেই তিনি শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পদত্যাগপত্রে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর কার্যকালের মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা ও সমর্থন পেয়েছেন। এ ছাড়া কাজ করতে গিয়ে তিনি অনেক কিছু শিখেছেন। উপরাষ্ট্রপতি পদে থাকাকালীন তিনি ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং উন্নয়নের সাক্ষী থেকেছেন।
