ওঙ্কার ডেস্ক: বাংলা বছরের ক্যালেন্ডার থেকে এবছরের মত বিদায় নিতে চলেছে বৈশাখ। আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। কিন্তু দফায় দফায় কালবৈশাখীর দাপটে সেইভাবে তীব্র দাবদহে জ্বলতে হয় নি বাংলাকে। বলা যেতে পারে মোটামুটি আরামদায়ক ছিল এই মাস। কিন্তু কত দিন এই আরাম বজায় থাকবে? কি বলছেন আবহাওয়াবিদরা? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
আবহাওয়াবিদদের মতে চলতি সপ্তাহেই বাড়তে শুরু করবে তাপমাত্রা। ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে তাপমাত্রা। সঙ্গে বৃদ্ধি পাবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও। যদিও আগামী দু’দিন দক্ষিণের সব জেলাতেই দিনের তাপমাত্রা বা সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই । আজ শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকতে পারে। যা রবিবারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার থেকে ০.৬ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার চেয়ে ০.৮ ডিগ্রি বেশি।
তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে । বিশেষত, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কয়েকটি জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে বলে সতর্কবার্তা জারি করেছে হাওয়া অফিস। ফলে উপকূল ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে এক বা দু’টি জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এবার উত্তরবঙ্গের দিকে নজর দেওয়া যাক। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ার জেলার কয়েকটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং এবং জলপাইগুড়ি জেলার এক বা দু’টি জায়গায় বজ্রবিদ্যুতের সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।