ওঙ্কার ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের বিজেপির কাছে পর্যদুস্ত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পনের বছরের ঘাসফুল শিবিরের দুর্গ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে। নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর একে একে মুখ খুলে বিস্ফোরক সব মন্তব্য করছেন দলের নেতাদের একাংশ। সম্প্রতি ফিরহাদ হাকিমের কন্যা প্রিয়দর্শিনী হাকিম তৃণমূল সুপ্রিমোকে নিশানা করেছিলেন। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন তৃণমূলের সাসপেন্ডেড মুখপাত্র কোহিনুর মজুমদার। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরজি কর আন্দোলনের সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে ফেলে দেওয়ার ছক কষেছিলেন বলে দাবি তাঁর।
কোহিনুর মজুমদার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আরজি কর আন্দোলনের সময় যখন গোটা রাজ্য উত্তাল, সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয় কসবা ল কলেজের ঘটনার প্রতিবাদে কোহিনুর সমাজ মাধ্যমে লিখেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস থেকে তাঁকে সেই পোস্ট ডিলিট করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়া ওই নেতা আরও অভিযোগ করেন, টাকার বিনিময়ে টিকিট দেওয়া হতো। তাঁর দাবি, প্রার্থী হওয়ার জন্য ১০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে উঁচু স্তরে।
উল্লেখ্যে নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেসসের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। উত্তর কলকাতার তৃণমূল নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুত্তা মন্তব্য নিয়ে সম্প্রতি উত্তাল হয়েছে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরমহল। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দুজনের আক্রমণাত্মক বাক্য বিনিময় দেখে স্তম্ভিত রাজনৈতিক মহল।