ওঙ্কার ডেস্ক: অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর শীত বেশ কিছুটা আগেই প্রবেশ করেছে রাজ্যে। সন্ধ্যা বেলার পর থেকে দক্ষিণবঙ্গবাসীর ভরসা হয়েছে হালকা জ্যাকেট কিংবা সোয়েটার আর রাতে এসি তো দূর, বরং পাখাটাও কমের দিকে রেখে একটা কাঁথা বা পাতলা কম্বলকেই আলিঙ্গন করতে হচ্ছে। ভোর বেলা মর্নিংওয়াক থেকে ফেরার সময় রাস্তার পাশে চায়ের দোকানে মাটির ভাঁড়ে চা, চুমুক না দিতে পারলে চা-খোর মানুষদের দিনটাই যেন শুরু হয় না।
এই অভ্যেসেই বেশ অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিল শীত প্রিয় রাজ্যবাসী। তবে ওই যে, সুখ ভীষণ ঠুনকো। বেশিদিন সয় না যে! শীত বিলাসীদের মনে ধাক্কা দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যেটা মনে হচ্ছে, ওই কাঁথা, কম্বল বা জ্যাকেট, সোয়েটারকে আপাতত বেশ কিছুদিন আবারও বাক্স বন্দী করে ফেলতে হবে। কারণ দক্ষিণবঙ্গের বাতাসে আবারও বাড়তে পারে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ। ফলে রাত ও দিনে বাড়তে পারে তাপমাত্রা। আবারও উত্তর ভারতে তৈরি হয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। যার দরুণ থমকে যেতে পারে পারদ পতন।
আবার শুধু এতেই রক্ষে নেই, আবহাওয়া দফতর আরো জানাচ্ছে, এই সপ্তাহের শেষের দিকে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে একটি ঘূর্ণাবর্ত। যার ফলে নভেম্বরের শেষের দিকে উপকূলবর্তী ৬ জেলায় বৃষ্টিপাত হতে পারে।
মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর কাছাকাছি। শুক্রবারের মধ্যে এই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর কাছাকাছি যাবে বলেই মনে করছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
এই নিম্নচাপের জেরে স্বভাবতই নভেম্বরে টাটা জানাল শীত। উত্তুরে হাওয়া, হা-ও-য়া।