ওঙ্কার ডেস্ক: বাংলায় পালাবদলের পর নয়া মুখ্য মন্ত্রী ‘জিরো টলারেন্স’-র কথা বলেছিলেন। সেই মত কাজও শুরু করে দিয়েছে প্রশাসন। প্রথমে তিনজলা এরপর হাওড়া তিলজলা প্রত্যেক জায়গা থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী। বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সমস্ত নির্মাণ। এবার পুর সভার স্ক্যনারে এসেছে অভিষেকের সমস্ত সম্পত্তি। মোট ১৭ টি সম্পত্তির দিকে নোটিশ দিল কলকাতা পুরসভা। সূত্রের খবর, এক মধ্যে রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডে অভিষেকের বাড়ি ‘শান্তিনিকেতন’ ভবন। কালীঘাট মোড়ে ডায়মন্ডহারবারের সাংসদের আরেকটি বিল্ডিংও রয়েছে তালিকায়। এখানেই রয়েছে একটি হার্ডওয়ারের দোকান। এর বাইরেও রয়েছে একাধিক সম্পত্তি। এই সমস্ত সম্পত্তি তথা বাড়িগুলির বিল্ডিং প্ল্যান সহ যাবতীয় নথিপত্র নিয়ে পুরসভায় দেখা করতে বলা হয়েছে মালিকপক্ষকে। পুরসভা সূত্রে খবর, কলকাতা পুরসভার সুনির্দিষ্ট ৪০১ নম্বর ধারায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই নোটিস পাঠানো হয়েছে। পুর কর্তৃপক্ষের নির্দেশ, অবিলম্বে তাঁর কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের ওই দুটি বাড়ির অনুমোদিত ‘বিল্ডিং প্ল্যান’ পুরভবনে জমা দিতে হবে
প্রসঙ্গত, পুরসভার এই নোটিশের দিনেই অন্য এক আইনি লড়াইয়ে ব্যস্ত ছিলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ। লোকসভা নির্বাচনের ভোট প্রচারের সময় নিজের ঝাঁঝালো মন্তব্যের মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে হিংসা ছড়িয়েছেন এবং উস্কানি দিয়েছেন— এই মারাত্মক অভিযোগে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় আগেই একটি এফআইআর (FIR) দায়ের হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। সোমবার সেই এফ আই আর খারিজের আর্জি অন্য এক আইনি লড়াইয়ে ব্যস্ত ছিলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ। লোকসভা নির্বাচনের ভোট প্রচারের সময় নিজের ঝাঁঝালো মন্তব্যের মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে হিংসা ছড়িয়েছেন এবং উস্কানি দিয়েছেন— এই মারাত্মক অভিযোগে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় আগেই একটি এফআইআর (FIR) দায়ের হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। সব মিলিয়ে পালাবদলের পর যে অভিষেকের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।