নিজস্ব প্রতিনিধি, ডায়মন্ড হারবার: কথা রাখলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সাড়ে তিন বছরের ছোট্ট শিশু কন্যা কৃতি মান্নাকে নিয়ে, রাজনীতির অভিযোগ বাবা মায়ের। বিস্ফোরক কৃতির মা সোমা মান্না।
সেবাশ্রয় ক্যাম্পে, কৃতির চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন তার মা-বাবা। সাড়ে তিন বছরের ছোট্ট শিশুটি একটি বিরল রোগে আক্রান্ত। খবর পেয়ে ডায়মন্ড হারবারের সংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাক্ষাৎ করেন কৃতির পরিবারের সাথে। সেই সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কথা দিয়েছিলেন চিকিৎসা করানোর জন্য, সমস্ত খরচ বহন করবে তৃণমূল। সঙ্গে, তার পড়াশোনা দায়-দায়িত্বও গ্রহণ করেছিলেন তিনি নিজে। বড় বড় সংবাদ মাধ্যমে হেডলাইন হয়েছিল সাংসদের মানবিক মুখ। তবে প্রতিশ্রুতিই সার। অভিযোগ, তারপর থেকে কোনদিনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেই পরিবারের খোঁজখবর নেন নিই। ছোট্ট শিশু কন্যার বাবা মা জানান একাধিকবার ক্যামাক স্ট্রিট অফিসে গিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু অভিষেকের দেখা পাননি তাঁরা।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গে ছবি তোলার পর স্থানীয় মানুষ এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যে টাকা আসতেন ওনার পরিবারের কাছে সেটাও বন্ধ হয়ে যায় পুরোপুরি। অতি কষ্টের সঙ্গে তিনি মেয়ে চিকিৎসা করেন। চিকিৎসা চলাকালীন ছোট্টো মেয়েটির একটি হাত কেটে বাদ দেওয়া হয়।। ব্যাঙ্গালোরে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওখানকার চিকিৎসক জানিয়েছেন 22 লক্ষ টাকা প্রয়োজন। এই বিরল রোগ তাড়াতাড়ি যদি সার্জারি করা না ,হয় তাহলে পরবর্তী জীবনে মেয়েটার পক্ষে সুখময় হবে না।
তার পরিবারের দাবি বাচ্চার এই ক্ষতির জন্য পুরোপুরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ী।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নিঃশব্দে বিপ্লব’, বইটির মধ্যে মেয়েটিকে কোলে নিয়ে ছবি তোলা শুধুমাত্র রাজনৈতিক ফায়দার জন্যই, এমন অভিযোগ পরিবারের। রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে এই পরিবারের আবেদন বাচ্চাটির সুচিকিৎসা। বর্তমানে আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে এই পরিবার।