ওঙ্কার ডেস্ক: বারুইপুরের বহুচর্চিত ধর্ষণ ও খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হওয়ার পর ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশের এই পদক্ষেপে সাধারণ মানুষের একাংশ যেমন সন্তোষ প্রকাশ করেছেন, তেমনই নিহতের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্যও নজর কেড়েছে। প্রভাসের স্ত্রী প্রকাশ্যেই দাবি করেছেন, তাঁর স্বামী দীর্ঘদিন ধরেই নানা অসামাজিক কাজে জড়িত ছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে তিনি উড়িয়ে দিতে পারছেন না।
বুধবার সকালে পুলিশ প্রভাস মণ্ডলের বাড়িতে তাঁর মৃত্যুর খবর পৌঁছে দেয়। সেই সময় প্রভাসের মা জানান, যা হয়েছে তা ঠিকই হয়েছে এবং প্রথমে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ দেহ নিতে যাবেন না। পরে প্রভাসের স্ত্রীও ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, তাঁর স্বামী বরাবরই খারাপ স্বভাবের মানুষ ছিলেন। বিয়ের পর থেকে একাধিকবার তাঁর উপর অত্যাচার করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, স্বামীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তিনি অস্বীকার করতে পারবেন না। বরং তাঁর বিশ্বাস, এমন অপরাধ প্রভাসের পক্ষেই করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, অপরাধ করেছে বলেই পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে। তবে পরে তিনি জানান, থানার পক্ষ থেকে মৃতদেহ গ্রহণ করার জন্য পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিবারের অন্য সদস্যরা সম্মতি দিলে তিনিও থানায় যাবেন। সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, প্রভাসের মা ও স্ত্রী ইতিমধ্যেই থানার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।
এদিকে প্রভাসের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসার পর তাঁর এলাকার বহু বাসিন্দাও পুলিশের পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এত নৃশংস অপরাধের সঙ্গে যিনি যুক্ত, তাঁর কঠোর শাস্তি হওয়াই উচিত ছিল। তাঁদের মতে, যা ঘটেছে তাতে এলাকায় স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং অপরাধীদের প্রতি কড়া বার্তা গিয়েছে।