ওঙ্কার ডেস্কঃ বারুইপুর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় চার অভিযুক্ত গ্রেফতার। মঙ্গলবার রাতে এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে প্রভাসের। মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশের ভূমিকায় খুশি নির্যাতিতার বাবা। তিনি জানান, “মুখ্যমন্ত্রী আমার দাদা, আমার পুরো ভরসা আছে। দাদার কাজে আমি খুশি। পুলিশও খুব ভালো কাজ করেছে।”
মঙ্গলবার নিজে বারুইপুর গিয়েছিলেন শুভেন্দু। কথা বলেন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে। তার ১২ ঘণ্টা পেরনোর আগেই এনকাউন্টারে খতম হয়েছে অভিযুক্ত প্রভাস। ঘটনার পুনর্নিমাণের সময় প্রভাস পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গুলি চালানোর চেষ্টা করে বলেই দাবি। এরপরই আত্মরক্ষায় গুলি চালান পুলিশ অফিসার অর্ঘ্য মণ্ডল। এদিকে রাতেই গ্রেফতার হয়েছে চতুর্থ ‘ধর্ষক’ কবীর মোল্লা।
বারুইপুরের নির্যাতিতার বাবা বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আমার দাদা। দাদা আমাকে কথা দিয়েছিলেন দোষীরা কেউ ছাড় পাবেন না। দাদার উপর আমার পুরো ভরসা আছে। দাদার কাজে আমি খুশি। পুলিশও খুব ভালো কাজ করেছে। আমার মেয়ে বিচার পাবে, আমার বিশ্বাস দাদা কথা রাখবেন।”
অন্যদিকে, এনকাউন্টারে প্রভাসের মৃত্যুর খবরে মৃতের মা ও স্ত্রী জানান, যা কাজ করেছে, তেমন ফল পেয়েছে।
রবিবার সকাল থেকে বারুইপুর ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে উত্তপ্ত গোটা বাংলা। ঘটনার কয়েকঘণ্টার মধ্যে ৬ সদস্যের সিট গঠনের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশের ভূমিকায় খুশি নির্যাতিতার পরিবার।