ওঙ্কার ডেস্কঃ তৃণমূল থেকে দূরে সরেছেন। দল পদ সব ছেড়েছেন। রাজনীতির আঙিনায় এখন নতুন জল্পনা সদ্য সাংসদ পদ ছেড়ে আসা সুখেন্দুশেখর রায়কে নিয়ে। ভবিষ্যতে বিজেপির হয়ে তাঁকে রাজ্যসভায় দেখা যেতে পারে কি না, তা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। পদ্মশিবির সূত্রে দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই সুখেন্দু শেখরেরে রাজনৈতিক ভূমিকা এবং অবস্থানের উপর নজর রয়েছে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। আরজি কর কান্ডের পর থেকে সুখেন্দু শেখর মুখ খোলা, একাধিক প্রশ্ন তোলা বিজেপি নেতৃত্বের নজর এড়ায়নি।
সুখেন্দুশেখর রায়কে ঘিরে বিজেপির আগ্রহের নেপথ্যে অতীতও আছে। সুখেন্দুশেখর রায়ের বাবা শিবেন্দুশেখর রায় ছিলেন এক সময়ের হিন্দু মহাসভার প্রভাবশালী নেতা। দেশভাগের সময় মালদহকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার প্রশ্নে তাঁর ভূমিকা নিয়ে এখনও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা হয়। ভোটের আগে মালদহ সফরে প্রধানমন্ত্রীর হাতে শিবেন্দুশেখর রায়ের ছবি তুলে দিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপি নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণেও উঠে এসেছিল তাঁর অবদানের প্রসঙ্গ।
যদিও এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ প্রবীণ রাজনীতিক। তিনি জানিয়েছেন, ‘এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি। কিছু ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কাজ রয়েছে। সেগুলি শেষ হওয়ার পরই রাজনীতিতে থাকব কি না, তা ভাবব।’ বিজেপির তরফে কোনও প্রস্তাব আসেনি বলেও দাবি করেছেন তিনি।অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের সঙ্গে তাঁর উপস্থিতিকে ‘নেহাত কাকতালীয়’ বলেই ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।