ওঙ্কার ডেস্ক :
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী নির্বাচন ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ঢুকলো রাজ্যে। রাজ্যে একাধিক জায়গায় ঢুকতে শুরু করেছে বাহিনী। পয়লা মার্চের আগেই রাজ্যে বিভিন্ন প্রান্তে আসার কথা ছিল মোট ২৪০ কম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর, সেই মতো শুক্রবার এবং শনিবারে জেলায় জেলায় আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
শুক্রবার বিকেলে নদিয়ার তাহেরপুর থানা এলাকায় এসে পৌঁছালো কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী কাল থেকেই ভারী ভোটের শব্দ শুনবে নদিয়া বাসী।যদিও এদিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাহেরপুর থানা এলাকায় প্রবেশ করার পর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক, জয় দাস কেন্দ্রীয় বাহিনীর উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের পুষ্প স্তবক দিয়ে সংবর্ধনা জানান।

এদিন প্রথমে তাহেরপুর থানার বীরনগড়ে এসে পৌঁছায় কেন্দ্র বাহিনীর জাওয়ানরা। শনিবার থেকে শুরু হবে কেন্দ্র বাহিনীর রুট মার্চ। বিধানসভা নির্বাচনের আগে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এখন থেকে জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর আগমন বলেই জানা যায়। প্রথম পর্যায়ে ৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রানাঘাট পুলিশ জেলায় আসবেন বলে জানিয়েছেন রানাঘাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার আশীষ মৌর্য।
শুক্রবার রাতে মালদার কালিয়াচকে এসে পৌঁছালো কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিএসএফের এক কোম্পানি ইতিমধ্যেই কালিয়াচক থানায় এসে পৌঁছেছে। শুক্রবার রাতে, এই বাহিনী কালিয়াচকের চৌরঙ্গি সহ বিভিন্ন এলাকায় টহল দেয়। সাথে ছিল কালিয়াচক থানার পুলিশ।
কেন্দ্রীয় বাহিনীকে স্বাগত জানিয়েছে মালদা দক্ষিণের কংগ্রেস সাংসদ ঈশা খান চৌধুরী। নির্বাচনের কাজে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যাতে বুথে ব্যবহার করা হয় ও তাদেরকে সঠিক কাজে লাগানোর দাবি নির্বাচন কমিশনের। এই রাজ্যে বিজেপির দোসর কংগ্রেস বলে কটাক্ষ তৃণমূলের।

উত্তর দিনাজপুরেও জেলার ইসলামপুরে এসে পৌঁছল কেন্দ্রীয় বাহিনী। শনিবার সকালে ইসলামপুর বিডিও অফিস চত্বর থেকে তারা রুট মার্চ শুরু করে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিক্রমা করে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আসন্ন ভোটকে সামনে রেখে এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই রুট মার্চের আয়োজন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে ছিল স্থানীয় পুলিশও। শহরের ব্যস্ত বাজার এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সংবেদনশীল অঞ্চল ঘুরে দেখেন তারা।
