ওঙ্কার ডেস্ক: পঞ্চায়েত স্তরে বদল আনতে চলেছে নয়া বিজেপি সরকার। কাজের গতি আনতে ও দুর্নীতি রুখতে আইন সংশোধনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। নয়া বিল এনে পঞ্চায়েতে প্রশাসক বসানোর কথা ভাবনা চিন্তা করা হচ্ছে। যে সংশোধনী বিল আনা হতে চলেছে, তাতে বলা হয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান যদি ১৫ দিনের বেশি অনুপস্থিত থাকে, তাহলে ওই সময়ে পঞ্চায়েতের সমস্ত ক্ষমতা ও দায়িত্ব দেখার ভার থাকবে এক জন প্রশাসকের উপর। তাঁকে প্রশাসন নিয়োগ করবে।
পঞ্চায়েতে প্রধান ও উপপ্রধান ১৫ দিনের বেশি সময় অনুপস্থিত থাকলে নির্বাচিত সদস্যদের কেউ দায়িত্ব নিতে রাজি না হলে একজন এক্সটেনশন অফিসার বা ঊর্ধ্বতন পদমর্যাদার আধিকারিককে এক মাসের জন্য প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ করা যাবে বলে ওই বিলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও, প্রধান ও উপপ্রধানের অনুপস্থিতির কারণে টানা দু মাস বৈঠক না হলে, বিডিও-র অনুমতি নিয়ে পঞ্চায়েতের সচিব বৈঠক ডাকতে পারবেন।
উল্লেখ্য, রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী হিসেবে দিলীপ ঘোষ দায়িত্ব নেওয়ার পর আগেই জানিয়েছেন, পঞ্চায়েত প্রধানদের হাত থেকে তহবিল খরচের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হবে। তা হস্তান্তর করা হবে সচিব বা এক্সিকিউটিভ অফিসারদের কাছে। পঞ্চায়েত প্রধানের স্বাক্ষরে আর কোনও কাজ হবে না। শনিবার উত্থাপন হতে চলা পঞ্চায়েত সংশোধনী বিলে এই বিষয়টি রয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েত তহবিল থেকে অর্থ দেওয়ার আদেশে এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টের স্বাক্ষর অতি অবশ্যই থাকতে হবে। চেকে এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও সচিব যৌথভাবে সই করবেন। এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রতি মাসের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রধানের কাছে এবং বিডিওর কাছে জমা দেবেন।