ওঙ্কার ডেস্কঃ ‘লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির’ তালিকা প্রকাশ হবে শনিবার। তারপর সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বাংলায় কোনও রকম অশান্তি যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক করে রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক ও পুলিশ কর্তাদের চিঠি দিল নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার নগরপালকে চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন। চিঠিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বাংলার নাগরিকদের উদ্দেশ্যেও বার্তা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। কেউই যেন নিজের হাতে আইন তুলে না নেন। আর সেটা যাতে না হয়, সে বিষয়েও প্রশাসনকে কঠোর নজর রাখতে হবে। এই ধরনের কোনও ঘটনা ঘটলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কড়া ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কথা মনে করিয়েছে কমিশন। চিঠিতে জানানো হয়েছে, এসআইআর চলাকালীন সর্বত্র আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা প্রশাসনের দায়িত্ব। কর্তৃপক্ষের কোনও কাজ বা গাফিলতির কারণে যদি ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে পাঠানো নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েত ভবন, ব্লক অফিস, তালুক স্তরের দফতর এবং শহরের ওয়ার্ড অফিস সহ, সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ জনসমক্ষে এই তালিকা টাঙাতে হবে। ভোটাররা যাতে তাঁদের নাম কোনও সমস্যাজনক তালিকায় রয়েছে কি না, তা সহজেই জানতে পারেন।
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল—শুধু নথি জমা নয়, প্রতিটি ক্ষেত্রে ERO বা AERO-এর মাধ্যমে শুনানি বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডও গ্রহণযোগ্য হবে। যদি তাতে জন্মতারিখ উল্লেখ থাকে। এ কথাও স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে কমিশনের নির্দেশে।
