ওঙ্কার ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে তিনি দক্ষিণী স্টাইলে বলেছিলেন ‘মেরা নাম পুস্পা রাজ’ আমি ঝুঁকবো না। কিন্তু শেষমেশ ঝুঁকেই গেল পুস্পা। বিধানসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন জাহাঙ্গির খান। ভোটের আগে নিজেকে পুষ্পা বলে উল্লেখ করেন। আর যে কোনও পরিস্থিতিতেই মাতা নত করবেন না বলে জানান। তবে ছাব্বিশের নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের ঘোষণা করা হয়। পরে জাহাঙ্গির প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান। গেরুয়া শিবির বিপুল ব্যবধানে ওই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়। জাহাঙ্গির চতুর্থ স্থান পায়।
বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত জাহাঙ্গিরকে দীর্ঘ তল্লাশির পর নেপাল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার পর তাঁকে ফলতার বিভিন্ন এলাকায় কোমরে দড়ি বেঁধে ও হাফপ্যান্ট পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে রেজিনার নেতৃত্বে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং থানা ঘেরাও কর্মসূচিও নেওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, জাহাঙ্গিরকে মুক্ত করা উদ্দেশে থানায় হামলার ছক কষা হয়েছিল। এই ঘটানায় ইতিমধ্যেই ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রেজিনার গ্রেপ্তারের মাধ্যমে তদন্তে নতুন মাত্রা যুক্ত হল।
এদিকে, গত বুধবার ফলতায় এক জনকল্যাণ শিবিরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন। তিনি জানান, কোনও ধরনের গুন্ডামি বা হিংসাত্মক কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না। থানায় হামলার ঘটনায় যাঁদের ভিডিও ফুটেজে শনাক্ত করা হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের ধারায় মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।বেশ কিছুদিন ফেরার থাকার পর নেপাল সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। গ্রেফতারির পর জাহাঙ্গিরকে একাধিক বার ফলতার রাস্তায় হাফপ্যান্ট পরিয়ে, কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো হয়েছিল। তার প্রতিবাদেই তাঁর স্ত্রীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ হয়েছিল। থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে সামনের সারিতে ছিলেন রেজিনা।এরপর স্বামীকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনার চক্রান্তের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন পুস্পার স্ত্রী। তাঁর নেতৃত্বেই থানা ঘেরাও করা হয়েছিল। থানায় হামলার চেষ্টাও করা হয়েছিল। শনিবার সকালে ফলতা থানার পুলিশ জাহাঙ্গিরের স্ত্রী রেজিনা বিবিকে গ্রেফতার করেছে। আইনের একাধিক ধারায় মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। কিছুদিন আগে জাহাঙ্গিরের স্ত্রীর বিরুদ্ধে অস্ত্র, বিস্ফোরক আইনের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছিল পুলিশ। জাহাঙ্গির ছিলেন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী। ভোটের আগে তিনি নিজেকে ‘পুষ্পা’ বলে দাবি করেছিলেন। জানিয়েছিলেন, কোনও পরিস্থিতিতেই তিনি ‘ঝুঁকবেন’ না। কিন্তু বিধানসভা ভোটে গোটা রাজ্যেই ভরাডুবি হয় তৃণমূলের। ফলতায় পুনর্নির্বাচনের কথা ঘোষণা করে কমিশন। তার পরেই সেখানে ভোটের লড়াই থেকে সরে গিয়েছিলেন জাহাঙ্গির। জানিয়ে দেন, তিনি লড়বেন না। ওই কেন্দ্রে বিপুল ভোটে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী। জাহাঙ্গির শেষ করেন চতুর্থ স্থানে।
প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন জাহাঙ্গির খান। ভোটের আগে নিজেকে পুষ্পা বলে উল্লেখ করেন। আর যে কোনও পরিস্থিতিতেই মাতা নত করবেন না বলে জানান। তবে ছাব্বিশের নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের ঘোষণা করা হয়। পরে জাহাঙ্গির প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান। গেরুয়া শিবির বিপুল ব্যবধানে ওই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়। জাহাঙ্গির চুতুর্থ স্থান পায়। বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত জাহাঙ্গিরকে দীর্ঘ তল্লাশির পর নেপাল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার পর তাঁকে ফলতার বিভিন্ন এলাকায় কোমরে দড়ি বেঁধে ও হাফপ্যান্ট পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে রেজিনার নেতৃত্বে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং থানা ঘেরাও কর্মসূচিও নেওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, জাহাঙ্গিরকে মুক্ত করা উদ্দেশে থানায় হামলার ছক কষা হয়েছিল। এই ঘটানায় ইতিমধ্যেই ২৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রেজিনার গ্রেফতারের মাধ্যমে তদন্তে নতুন মাত্রা যুক্ত হল। এদিকে, গত বুধবার ফলতায় এক জনকল্যাণ শিবিরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন। তিনি বলেন, ‘যদি কোনও ব্যাক্তি এই ধরনের মাফিয়া কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন তাহলে আগামী দিনে পুলিশ প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে’।