ওঙ্কার দেস্কঃ খেলা ভাঙার খেলা। খাতায় কলমে মমতার তৃণমূলের অস্তিত্ব শেষ। লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দল ভাঙার প্রক্রিয়া এবার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায়। সূত্রের খবর, তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের আবেদন খতিয়ে দেখে আজ কিংবা কালকের মধ্যেই স্পিকার ওম বিড়লা পৃথক ব্লককে সরকারি স্বীকৃতি দিয়ে দিতে পারেন। আর এই সিলমোহর পড়ে গেলেই অস্তিত্ব হারাবে মমতার তৃণমূল।
মোট ২৮ জন লোকসভা সাংসদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি অর্থাৎ গরিষ্ঠ সংখ্যক সাংসদ ইতিমধ্যেই স্পিকারের কাছে গিয়ে পৃথক ‘ব্লক’ তৈরির আবেদন জমা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, লোকসভার সচিবালয় আইনি দিকগুলি খতিয়ে দেখার কাজ প্রায় শেষ করে এনেছে। স্পিকার দ্রুত এই বিষয়ে লোকসভার অন্দরে স্বীকৃতি দিতে চলেছেন। এর ফলে বিক্ষুব্ধ সাংসদদের পদ খারিজ হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই আর রইল না।
সূত্রের খবর, দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালা রায়ও এই পৃথক ব্লকে সই করে দিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্পিকারের এই স্বীকৃতির পর আইনি ও টেকনিক্যাল দিক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে। লোকসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কীর্তি আজাদের মতো মাত্র হাতেগোনা ৩-৪ জন সাংসদ পড়ে থাকবেন মূল দলে।
লোকসভায় এই পৃথক ব্লক স্পিকারের স্বীকৃতি পেয়ে গেলে, পরবর্তী ধাপে নির্বাচন কমিশনে আসল ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং ‘জোড়াফুল’ চিহ্নের দাবি জানাতে পারে এই বিদ্রোহী গোষ্ঠী, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।