ওঙ্কার ডেস্ক: বঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল শুধুমাত্র রাজ্যের রাজনীতি নয় বরং দেশের রাজনীতির রূপরেখাতেও বড়সড় প্রভাব ফেলেছে। ভোটের ফলাফলের পর তৃণমূলের বিধায়ক, সাংসদেররা শীর্ষ নেতৃত্বে বিরোধিতা করে নিজেদের আলদা করেছে। বঙ্গের পর মহারাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও ভাঙ্গনের ইঙ্গিত মিলেছে। উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন শিবসেনার সাংসদেরা নাকি বিক্রি হয়ে গেছে বলে দাবি তোলা হয়। বাংলা, মহারাষ্ট্র পেড়িয়ে এবার কেন্দ্রের আর এক বিরোধী শিবিরে ভাঙ্গনের আভাস মিলেছে। উত্তরপ্রদেশের অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির একাংশ হাত মিলিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক অমিত শাহের সঙ্গে। এমনকি কারা অখিলেশের পার্টি ছাড়তে চলছে তার তালিকাও নাকি জমা পড়েছে শাহের কাছে।
সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রী ওম প্রকাশ রাজভর দাবি করেন, সমাজবাদী পার্টির একাধিক সাংসদ বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং সুযোগ পেলেই তাঁরা দলবদল করতে পারেন। তিনি এও দাবি তোলেন দলের কারা বিজেপি শিবিরে যেতে পারে তার একটি তালিকাও তৈরি হয়েছে এবং সেটি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাতে গিয়ে পৌঁছেছে। এই মন্তব্য সামনে আসার পরই পাল্টা আক্রমণে নামে সমাজবাদী পার্টি। দলের সাংসদ রাম গোপাল যাদব কটাক্ষ করে বলেন, অন্য দলের ভাঙনের কথা বলার আগে বিজেপির নেতাদের নিজেদের ঘরের পরিস্থিতির দিকে নজর দেওয়া উচিত। তাঁর দাবি, খুব শীঘ্রই বিজেপির অন্দরেই বড় ধরনের বিভাজন দেখা দিতে পারে।
অন্যদিকে রাজভরদাবি করে বলেন, সমাজবাদী পার্টির অভ্যন্তরে নেতৃত্ব এবং ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে, যার প্রতিফলন ভবিষ্যতে প্রকাশ্যে আসতে পারে। অন্যদিকে অখিলেশের দল এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টি আগের মতোই ঐক্যবদ্ধ এবং সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী। শাসক দল নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতেই এই ধরনের জল্পনা ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ।