ওঙ্কার ডেস্ক: ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন মানুষ। তারই ধারাবাহিকতায় বিক্ষোভ ও অশান্তির ঘটনা ঘটে মুর্শিদাবাদের ফরাক্কায়। ফরাক্কার তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে বিডিও অফিসে ভাঙচুর ও সরকারি আধিকারিকদের হেনস্থার। শুধু তাই নয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ওই বিধায়কের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। মুর্শিদাবাদের জেলাশাসককে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সূত্রের খবর, কমিশনের নির্দেশ পাওয়ার পর শাসকদলের ওই বিধায়কের বিরুদ্ধে তদন্ত করার জন্য জঙ্গিপুর মহকুমাশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া। যদিও ফরাক্কা থানায় গত ২৪ ঘণ্টায় বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোনও মামলা রুজু হয়নি। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে শুরু করায় নিজেকে আইন মেনে চলা নাগরিক হিসেবে দাবি করতে শুরু করেছেন মনিরুল ইসলাম। জঙ্গিপুর মহকুমা প্রশাসনকে চিঠি দিয়ে তাঁর সাফাই, নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক এবং ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। তিনি সর্বদা সংবিধান মেনে চলেন এবং আইনের শাসনে বিশ্বাস করেন। ১৪ জানুয়ারির ঘটনার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, কোথাও হয়তো শব্দ প্রয়োগে ভুল হয়েছিল। সেদিন তিনি যা বলেছিলেন তা কমিশনের মর্যাদা নষ্টের উদ্দেশ্যে বলেননি।
ইআরওকে যে চিঠি মনিরুল পাঠিয়েছেন তাতে তিনি লিখেছেন, ‘আমার বক্তব্যে কোনও খারাপ উদ্দেশ্য, উসকানি বা আইন ভাঙার চেষ্টা ছিল না। যদি কেউ ভিন্ন অর্থ করে থাকেন, তবে তা আমার অনিচ্ছাকৃত। আমি সব সময় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত এবং তাদের দেওয়া সমস্ত আইনসম্মত নির্দেশ মেনে চলব।’
