ওঙ্কার ডেস্ক: বাংলায় পালাবদলের পরই দলের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে ‘বিদ্রোহী’ শিবিরে যোগ দেন ২০ জন সাংসদ। লোকসভার স্পিকারের অনুমোদন পেয়ে তাঁদের বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে সামিল করে দেওয়া হয়। বর্তমানে ‘বিদ্রোহী’ সাংসদরা এনসিপিআই এর সদস্য। লোকসভায় এই দলের দলনেতা হচ্ছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। ওম বিড়লা এবং অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে এবিষয়ে আলোচনা সেরেছেন সুদীপ এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
পুরনো তৃণমূলে লোকসভায় দলনেতা ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যসচেতক হিসেবে ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তবে ভোটের রেজাল্টের কয়েকদিনের মধ্যেই এই পদে পুনরায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফিরিয়ে আনা হয়। এনিয়ে ক্ষোভও উগরে দিয়েছিলেন বারাসতের সাংসদ।
সূত্রের খবর, তাঁদের তালিকা অনুযায়ী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দলনেতা, কাকলি ঘোষ দস্তিদার মুখ্য সচেতক এবং শতাব্দী রায়কে ডেপুটি লিডার করা হতে পারে। একইসঙ্গে, ২০ জন সাংসদের জন্য একটি পৃথক ঘর বরাদ্দ করা হয়েছে।
আগামী ২০ জুলাই থেকে বাদল অধিবেশন শুরু হচ্ছে। তার আগেই ১৯ জুলাই কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ ২০ জন সাংসদকে ডেকে পাঠিয়েছেন স্পিকার ওম বিড়লা। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলেই জানা গেছে।
এদিকে ১৯ তারিখই সংসদে সর্বদলীয় বৈঠক রয়েছে। তবে এনসিপিআই এখনও লোকসভার রেকর্ডে নাম তুলতে পারেনি। সেক্ষেত্রে কাকলি, সুদীপরা ওই বৈঠকে থাকতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। স্পিকার আশ্বস্ত করেছেন, তাঁদেরও বৈঠকে ডাকা হবে।