ওঙ্কার ডেস্ক: ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদের প্রতিবাদে বুধবার দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মালদহের মোথাবাড়ি, সুজাপুর-সহ একাধিক এলাকা। অভিযোগ ওঠে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের হেনস্থা করার। সেই সঙ্গে তাঁদেরকে দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও করে রাখা হয় বলেও অভিযোগ। সেই ঘটনা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে তদন্ত করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইআএ। এসআইআর ঘিরে অশান্তির ওই ঘটনার তদন্তে এনআইএ খতিয়ে দেখবে গোটা ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত নাকি স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ঘটেছিল।
সূত্রের খবর, এনআইএ তদন্ত করে আগামী সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট জমা দেব। অনুসন্ধানে খতিয়ে দেখা হচ্ছে, বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এই জনরোষ, নাকি বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের হেনস্থার জন্য এটি পূর্বপরিকল্পিত। শুক্রবার বিকেলে কালিয়াচকে পৌঁছানোর পর এনআইএ ইতিমধ্যেই, এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে। যদিও তদন্তকারীরা সংবাদ মাধ্যমকে এ বিষয়ে এখনই কিছু জানাতে চাইছেন না। তবে সূত্রের খবর, এই মামলায় এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত ৩৫ জনের, বিশেষ করে মোফাক্কারুল ইসলাম এবং মোথাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের আইএসএফ প্রার্থী মাওলানা শাহজাহান আলির ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রধান তদন্তকারী দলে ১৫ জন গোয়েন্দা রয়েছে। এটির নেতৃত্বে রয়েছেন পুলিশ সুপার পদমর্যাদার এক কর্তা। নয়াদিল্লি এবং মুম্বইয়ের এনআইএ থেকে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের ঘটনার তদন্তে এসেছেন। তবে, কলকাতার এনআইএ আধিকারিকদের একটি দল ওই গোয়েন্দাদের কাজে সহযোগিতা করছেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের ডিভিশন বেঞ্চ, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের হয়রানির মামলার তদন্তের দায়িত্ব এনআইএ বা সিবিআইকে হস্তান্তর করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিল। তার পরেই এনআইএকে দিয়ে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন পরিচালক সংস্থা।