ওঙ্কার ডেস্ক: রাজ্য বিধানসভার প্রোটেম স্পিকার হিসেবে মঙ্গলবার শপথ নিয়েছেন তাপস রায়। তিনিই বুধবার জয়ী প্রার্থীদের বিধায়ক হিসেবে শপ্তহ বাক্য পাঠ করিয়েছেন। তবে নিয়ম অনুযায়ী বিধায়কদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হলে বিধানসভার স্থায়ী স্পিকারকে বেছে নেন বিধায়করা। বৃহস্পতিবার বিজেপির তরফে এই পদের জন্য মনোনীত করা হয়েছে উত্তরবঙ্গের সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ নেতা রথীন্দ্রনাথ বসুকে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমাজ মাধ্যমে একটি পোস্ট করে এই তথ্য জানিয়েছেন।
ফেসবুক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী রথীন্দ্রনাথ বসুর ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক, সম্মানীয় শ্রী রথীন্দ্র বোস মহাশয়কে ১৮তম পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। আমার স্থির বিশ্বাস তিনি সর্বসম্মতিক্রমে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মাননীয় অধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হবেন।’ উল্লেখ্য, বিধানসভার স্পিকার পদের জন্য প্রথমে তাপস রায় বা স্বপন দাশগুপ্তের মতো বর্ষীয়ান নেতাদের নাম শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু সবাইকে পিছনে ফেলে দৌড়ে এগিয়ে গেলেন রথীন্দ্রনাথ বসু। কোচবিহার দক্ষিণের এই বিধায়ক দক্ষ সংগঠক এবং সুবক্তা হিসেবে পরিচিত। শুধু তাই নয় তিনি সঙ্ঘের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সঙ্ঘ যোগ রথীন্দ্রনাথকে এগিয়ে রাখল। বিরোধীরা যদি রথীনের নামে আপত্তি না তোলেন তা হলে নির্বাচনের প্রয়োজন হবে না। সর্বসম্মতিক্রমেই স্পিকার নির্বাচিত হবেন তিনি।
উল্লেখ্য, তৃণমূল জমানায় বিজেপি নেতারা বার বার অভিযোগ করতেন উত্তরবঙ্গকে বঞ্চনার। কিন্তু বিজেপি সরকার উত্তরবঙ্গকে কোনও আলাদা ভাবে দেখে না, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে তা বোঝাতে এই প্রথম কোনও নেতাকে স্পিকার হিসাবে মনোনীত করা হল। বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতির দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি সাংগঠনিক কাজে তাঁর দক্ষতা রয়েছে। কোচবিহার দেবীবাড়ির ভূমিপুত্র রথীন্দ্রনাথ। বিধানসভার স্পিকার হিসাবে মনোনীত হওয়ার পর রথীন্দ্রনাথ বলেন, ‘দল যা দায়িত্ব দেবে, সেটাই পালন করব।’