ওঙ্কার ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর একে একে মুখ খুলে নেতৃত্বকে অস্বস্তিতে ফেলেছেন তৃণমূলেরই অনেকেই। সেই তালিকায় এবার নাম লেখ্যালেন উলুবেড়িয়া পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তৃণমূলের নেতাদের ‘দুর্নীতি নিয়ে চুপ থাকতে বলেছিল দল’ এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তিনি।
বুধবার বিধানসভায় ধর্না অবস্থান করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তৃণমূল বিধায়করা। বাংলায় বুলডোজার অ্যাকশন, হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার পক্ষে সেই বিক্ষোভে তৃণমূলের ৮০ জনের মধ্যে ৪৬ জন বিধায়কই অনুপস্থিত ছিলেন৷ এদিন উলুবেড়িয়া পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক ওই বিক্ষোভে থাকলেও দলকে অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছেন তিনি৷ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘উলুবেড়িয়াতে আবাসে দুর্নীতি হয়েছে। একাধিক ভুয়ো ঘর। দলকে বলায়, দল চুপ করে থাকতে বলেছিল।’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘আমি অসৎ লোকেদের সঙ্গে রাখব না। সৎ কাউন্সিলরদের ভাঙা অফিসেই বসব।’ তৃণমূলের ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাক-এর পক্ষ থেকেও দুর্নীতি নিয়ে মুখ খুলতে নিষেধ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ তাঁর।
মঙ্গলবার কালীঘাটে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই এক বৈঠক হয়। যেখানে ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান নির্বাচনের ময়দান থেকে সরে গিয়েছেন, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অনেকে জাহাঙ্গিরকে সাসপেন্ড করারও কথা বলেছেন। ঋতব্রতও সেই দলে ছিলেন। এ দিন এ বিষয়ে ঋতব্রত বলেন, ‘জাহাঙ্গিরকে কেন বহিষ্কার করা হবে না?’