Skip to content
এপ্রিল 24, 2026
  • Facebook
  • Instagram
  • YouTube
  • Linkedin
  • WhatsApp Channel
  • Google Play

Onkar Bangla

Primary Menu
  • কলকাতা
  • পশ্চিমবঙ্গ
    • উত্তরবঙ্গ
    • বর্ধমান
    • পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
    • হাওড়া ও হুগলি
    • পুরুলিয়া বীরভূম বাঁকুড়া
    • উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা
    • নদিয়া মুর্শিদাবাদ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • সম্পাদকের পাতা
    • এডিট
    • পোস্ট এডিট
    • বইপত্র
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফ স্টাইল
  • ভ্রমন
  • পাঁচফোড়ন
  • লাইভ
  • ভিডিও
  • যোগাযোগ করুন
  • Home
  • রাজ্য
  • মুসলিম অধ্যুষিত জেলাগুলিতে এসআইআর শুনানির নোটিসের হঠাৎ বৃদ্ধি, বিতর্কে এসআইআর প্রক্রিয়া

মুসলিম অধ্যুষিত জেলাগুলিতে এসআইআর শুনানির নোটিসের হঠাৎ বৃদ্ধি, বিতর্কে এসআইআর প্রক্রিয়া

Online Desk জানুয়ারি 15, 2026
SIR.jpg

ওঙ্কার ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়াকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজ্যের মুসলিম অধ্যুষিত জেলাগুলিতে এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির নোটিসের সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এই প্রবণতা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, প্রশাসনিক মহলেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
মুর্শিদাবাদ, মালদহ এবং উত্তর দিনাজপুর এই তিনটি জেলায় এসআইআর-এর আওতায় ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বা তথাকথিত তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে বিপুল সংখ্যক ভোটারকে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই জেলাগুলিতে মোট ভোটারের প্রায় ২৮ থেকে ৩০ শতাংশ মানুষ এই নোটিস পেয়েছেন। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদে এই হার সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া বা দক্ষিণবঙ্গের তুলনামূলকভাবে কম সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলাগুলিতে এই নোটিসের হার অনেকটাই কম, কোথাও কোথাও তা ১০ থেকে ১৩ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
এই বৈষম্যমূলক চিত্র সামনে আসতেই রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। শাসকদলের অভিযোগ, সংখ্যালঘু ভোটারদের লক্ষ্য করেই পরিকল্পিতভাবে এই নোটিস পাঠানো হচ্ছে, যার ফলে ভোটাধিকার খর্ব হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে একই পরিবারের একাধিক সদস্য বা দীর্ঘদিন ধরে ভোটার তালিকায় থাকা ব্যক্তিরাও নোটিস পেয়েছেন বলে অভিযোগ। স্থানীয় স্তরে অভিযোগ উঠছে, নামের বানান, ঠিকানার সামান্য অমিল বা ডেটাবেসে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই বহু মানুষকে শুনানির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় যে সফটওয়্যার ব্যবহৃত হচ্ছে, তা পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত নয়। এই ব্যবস্থায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ক্ষেত্রে ভুলভাবে ‘অসঙ্গতি’ চিহ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও স্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা। তবুও বিপুল সংখ্যক নোটিস জারি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, নির্দিষ্ট সময়ে শুনানিতে হাজির হতে না পারলে বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে ব্যর্থ হলে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়তে পারে।
এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। শাসকদলের পক্ষ থেকে এসআইআর প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে। নির্বাচন সংস্থার ভূমিকা এবং এই প্রক্রিয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ধরনের পদক্ষেপ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে।

Post Views: 98

Continue Reading

Previous: নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত নার্সের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যভবন; নেই নয়া সংক্রমণ
Next: স্পেনের পরবর্তী হচ্ছেন জেন-জি রানী লিওনর; প্রায় ১৫০বছর পর সে রানী পাচ্ছে সেদেশ

সম্পর্কিত গল্প

voter-bengal.jpg

প্রথম দফায় ভোট পড়ল প্রায় ৯২ শতাংশ! সর্বকালীন রেকর্ডের পথে পশ্চিমবঙ্গ

Online Desk এপ্রিল 23, 2026
peace-deal.png

পাকিস্তান নয়, আমেরিকার সঙ্গে শান্তি আলোচনায় চিনকে চায় ইরান

Online Desk এপ্রিল 23, 2026
hgf

প্রথম দফায় বঙ্গে রেকর্ড! বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়ল প্রায় ৯০ শতাংশ

Online Desk এপ্রিল 23, 2026

You may have missed

mamata-dharna.jpg

প্রথম দফায় ভোটের ঝড়! কী বললেন মমতা?

Online Desk এপ্রিল 23, 2026
voter-bengal.jpg

প্রথম দফায় ভোট পড়ল প্রায় ৯২ শতাংশ! সর্বকালীন রেকর্ডের পথে পশ্চিমবঙ্গ

Online Desk এপ্রিল 23, 2026
peace-deal.png

পাকিস্তান নয়, আমেরিকার সঙ্গে শান্তি আলোচনায় চিনকে চায় ইরান

Online Desk এপ্রিল 23, 2026
hgf

প্রথম দফায় বঙ্গে রেকর্ড! বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়ল প্রায় ৯০ শতাংশ

Online Desk এপ্রিল 23, 2026
  • Get in Touch
  • Privacy Policy
  • Facebook
  • Instagram
  • YouTube
  • Linkedin
  • WhatsApp Channel
  • Google Play
Copyright © All rights reserved. | Designed and Maintained by UQ Labs.