ওঙ্কার ডেস্ক: ৩০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন সহকর্মীর কাছ থেকে। কিন্তু সময় বাড়তে থাকলেও তা মেটাননি। আর তা নিয়ে বিবাদের জেরে সেই সহকর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, হত্যার পর ওই ব্যক্তির মাথা কেটে দেহ ও মুণ্ড আলাদা জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনাটি গুজরাতের সুরতের। অভিযুক্ত ওড়িশার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন মাথাটি প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে উদ্ধার হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম সচিৎ কুমার নরেন্দ্র বাল। মৃত ব্যক্তি এবং অভিযুক্ত একই পাওয়ারলুম সংস্থায় কাজ করতেন। গত ছয় মাস ধরে তাঁরা সেখানে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ, মৃত ব্যক্তি সচিৎ বালের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘদিনেও সেই টাকা ফেরত দিচ্ছিলেন না। এই বিষয়টি নিয়ে দু’জনের মধ্যে প্রায়ই ঝামেলা হত। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত, টাকা ফেরত না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই সহকর্মীকে খুন করেন সচিৎ। গত ৩ নভেম্বর ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। গোটলাওয়াড়ি মোড়ের কাছে একটি কবরস্থানে মুণ্ডহীন ও বিবস্ত্র অবস্থায় এক ব্যক্তির দেহ পড়ে থাকার খবর যায় পুলিশ কন্ট্রোল রুমে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। তদন্তে নেমে সচিৎকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশের দাবি, জেরার মুখে তিনি খুনের কথা স্বীকার করেছেন। এরপর অভিযুক্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুরু হয় মাথার খোঁজ। শেষ পর্যন্ত আলকাপুরি রেলওয়ে ব্রিজের নীচে রেললাইনের পাশ থেকে সেটি উদ্ধার করে পুলিশ। কবরস্থান থেকে ওই জায়গার দূরত্ব প্রায় তিন কিলোমিটার। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ঘটনার প্রায় দু’দিন আগে এই খুন হয়ে থাকতে পারে। মৃতের দেহ এবং বিচ্ছিন্ন মাথা ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।