ওঙ্কার ডেস্ক: ব্রাজিলের ছোট্ট শহর ক্যাপাও দ্যা কানোয়া এলাকায় গতকাল হঠাৎ এক ছোট যাত্রীবাহী বিমান একটি বাড়িতে এসে আছড়ে পরে। বাড়িতে ধাক্কা মারার পরই ব্যাপক শব্দে ভয়ানক বিস্ফোরণ ঘটে বিমানটিতে। এলাকার আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজে সেই মর্মান্তিক দৃশ্য এখন সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। জানা গিয়েছে ছোট্ট চ্যাটার প্লেনে দুই পাইলট সহ মোট চার জন উপস্থিত ছিলেন। দুর্ঘটনার জেরে ঘটনাস্থলেই আগুনে দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় চারজনেরই।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় দমকল বাহিনী এসে উদ্ধার করে দেহ, নেভানো হয় আগুন এবং উদ্ধার করা হয় বিমানটির ব্ল্যাকবক্স। সূত্রের খবর অনুযায়ী সাও পাওলো থেকে পাইলট সহ চারজনকে নিয়ে উড়ান শুরু করে। গন্তব্য কোথায় তা এখনও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন। ঘটনার সময় প্লেনটি ব্রাজিলের উপকূল শহর ক্যাপাও দ্যা কানোয়া এলাকার জনবসতি পুর্ণ অঞ্চলে খুব নিচে দিয়ে উড়ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে বিমানটি খুবই নিচে দিয়ে ওড়ার পর আচমকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাড়ির ছাদে আছড়ে পরে। সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। ভাগ্যক্রমে দুর্ঘটনার সময়কালে উল্লেখ্য বাড়িতে কেউ ছিলেননা।
দুর্ঘটনার খবর সামনে আসতেই দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন ও দমকল বাহিনী। দমকল বাহিনী স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে জানায় প্রথমে এক পাইলট এবং দুই যাত্রীর দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে অপর এক পাইলটের দেহ উদ্ধার করা হয়। বিস্ফোরনের তীব্রতার জেরে আশেপাশের বেশ কয়েকটি বাড়ির জানলা ভেঙ্গে যায়। কিন্তু কোন প্রতিবেশী হতাহতের খবর মেলেনি।
ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে প্রশাসন। কি কারণে এমন দুর্ঘটনার শিকার হল বিমানটি তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার করা হয়েছে ব্ল্যাকবক্স। তদন্তকারী আধিকারক জানিয়েছেন বিমানতিতে একটি মাত্র ইঞ্জিন ছিল। যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি পাইলটের ভুল সে নিয়ে খোঁজ চালানো হচ্ছে। আবাসিক এলাকায় এত নিচ দিয়ে কেনই বা বিমানটি উড়ছিল সেই নিয়ে থাকছে প্রশ্ন। প্রশাসন জানিয়েছে তদন্তে নেমেছে দল। খুব শীঘ্রই দুর্ঘটনার কারণ সামনে আসবে।