ওঙ্কার ডেস্ক: বিহারের পর বাংলায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা করতে পারে নির্বাচন কমিশন, এমন জল্পনা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে বিএলওদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ শুরু করেছে কমিশন। পাশাপাশি বাংলার বিরোধী দল বিজেপি দাবি করে আসছে বাংলার ভোটার তালিকা থেকে দু কোটি নাম বাদ যাবে বলে। এই আবহে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিযষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, ক্ষমতা থাকলে কমিশন দুটো নাম বাদ দিয়ে দেখাক।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বিজেপি নেতারা বলছে বাংলায় ২ কোটি নাম বাদ যাবে। এখনও তো এসআইআর শুরুই হয়নি! কীসের ভিত্তিতে বিজেপি এই মিথ্যাচার করছে? তবু নির্বাচন কমিশন চুপ করে রয়েছে। তবে এটা বলব, ওরা দুটো নাম বাদ দিয়ে দেখাক, বাংলার মানুষ বুঝিয়ে দেবে কীভাবে জবাব দিতে হয়।’ তিনি বলেন, এসআইআর মানে সাইলেন্ট ইনভিজিবল রিগিং। অসমে কুকুরের নামে বাসিন্দা শংসাপত্র ইস্যু হওয়া প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, ‘মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না, অথচ কুকুর ও ট্র্যাক্টরের নামে রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট দিয়ে কমিশন সেগুলি গ্রহণ করছে! বাবার নাম লেখা ‘কুত্তা বাবু’, মায়ের নাম ‘কুত্তিয়া দেবী’! এখন প্রশ্ন, এই কুকুরটা কি বাংলাদেশ থেকে এসেছে?’
উল্লেখ্য, সোমবার বীরভূম থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিএলও বা বুথ লেভেল অফিসারদের উদ্দেশে বলেছিলেন, ভোটার তালিকা থেকে এক জনেরও নাম যেন বাদ না যায় তা দেখতে। তিনি বলেন, ‘আপনারা বিএলও, যেসব তালিকা তৈরি করছেন, বিএলও-দের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে ভোটার তালিকা থেকে যেন কারও নাম বাদ না-যায়৷ মনে রাখবেন ভোটের বিজ্ঞপ্তি যখন হবে, তখন থেকে এটা নির্বাচন কমিশনের অধীনে যায়৷ তার আগে রাজ্য সরকার৷ আবার নির্বাচনের পরও রাজ্য সরকার৷’
