ওঙ্কার ডেস্ক: প্রয়াত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা মালদহ জেলা কংগ্রেসের অন্যতম স্থপতি আবু হাসেম খান চৌধুরী ওরফে ডালু। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। ৮৯ বছর বয়সে বুধবার সকালে কলকাতার এক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে মালদহের রাজনীতিতে। শোকপ্রকাশ করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার এবং প্রাক্তন প্রদশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
পরিবার সূত্রে খবর, কলকাতায় রয়েছেন প্রয়াত ডালু খানের স্ত্রী। ছেলে কংগ্রেস সাংসদ ইশা খান চৌধুরী রাতেই কলকাতা থেকে মালদহে পৌঁছন। বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হবে মালদহে। সেখানেই শেষকৃত্য হবে। ডালু খান চৌধুরীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। শোক বার্তায় তিনি বলেন, ‘মালদহ জেলা কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা প্রাক্তন সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী (ডালু) বাবুর প্রয়াণে আমরা গভীর শোকাহত। জনকল্যাণমূলক এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে প্রয়াত আবু হাসেম খান চৌধুরীর ভূমিকা আক্ষরিক অর্থেই প্রয়াত জননেতা এ.বি.এ. গনি খান চৌধুরীর উত্তরাধিকার বহন করেছিল। ডালু বাবু’র প্রয়াণ কংগ্রেসের পরিবারের কাছে এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমার সঙ্গে তাঁর আত্মিক সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। ব্যক্তিগত জীবনেও আমি শুভানুধ্যায়ী হারা হলাম। আমি তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গ এবং তাঁর অগণিত কর্মী সমর্থকদের প্রতি জানাই আন্তরিক সমবেদনা।’ প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী শোকপ্রকাশ করে সমাজ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘আমার প্রিয় ডালু দার মৃত্যুর খবর আমাকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। আমি যেন আমার অত্যন্ত কাছের একজন মানুষকে হারালাম। শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা রইল।’
উল্লেখ্য, ১৯৩৮ সালের ১২ জানুয়ারি মালদহের খান চৌধুরী পরিবারে জন্ম ডালু খান চৌধুরীর। দাদা গণি খান চৌধুরীর হাত ধরেই রাজনীতির জগতে আসা। গণি খানের মৃত্যুর পর মালদহে তিনিই হয়ে ওঠেন কংগ্রেসের রক্ষক। ১৯৯৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কালিয়াচক বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তিনি। ২০০৯ সাল থেকে মালদহ দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে সাংসদ হন তিনি।